তারিখ: ১২/০৭/২০১৫
নিউইয়র্কের বাংলাদেশ মিশনে ভাষা সংগ্রামী, দেশবরেণ্য লেখক ও সাংবাদিক
আবদুল গাফ্্ফার চৌধুরীর ভাষাসংক্রান্ত কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে
জামায়াত-বিএনপি জোট দেশে ও প্রবাসে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নতুন ইস্যু যোগ
করার এক হীন চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। গাফ্্ফার চৌধুরীর মতো একজন নিষ্ঠাবান
মুসলমানকে ‘নাস্তিক’, ‘মুরতাদ’, ‘কাফের’ আখ্যা দিয়ে ইসলামের কথাকথিত
ধ্বজাধারীরা যে কোরানের ভাষায় কবিরা গুনাহ করে জাহান্নামে নিজেদের স্থান
নির্দিষ্ট করেছে- এ নিয়ে তাদের ভ্রƒক্ষেপ নেই। পবিত্র কোরানে যাদের আস্থা
আছে তারা কখনও একজন মুসলমানকে ‘নাস্তিক’, ‘মুরতাদ’ বা ‘কাফের’ বলতে পারেন
না।
তারা শুধু গাফ্্ফার চৌধুরী নয়, কবি সুফিয়া কামাল থেকে শুরু করে অধ্যাপক
মুনতাসীর মামুন পর্যন্ত নিষ্ঠাবান মুসলমানদের ‘নাস্তিক’, ‘মুরতাদ’, ‘কাফের’
বলেছে। কারণ তাঁরা মুসলমান হয়েও মানবতার কথা বলেন, ধর্মব্যবসায়ীদের
বিরুদ্ধাচরণ করেন, ইসলামের নামে গণহত্যাকারী ও নারী ধর্ষণকারীদের বিচার ও
শাস্তি দাবি করেন, ধর্মের পবিত্রতা রক্ষার জন্য রাষ্ট্র ও রাজনীতি থেকে
ধর্মকে পৃথক রাখার কথা বলেন।
আবদুল গাফ্্ফার চৌধুরী ধর্মীয় পরিচয়ে একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান, রাজনৈতিক
পরিচয়ে ধর্মনিরপেক্ষ মানবতার আদর্শে বিশ্বাসী। তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছে
মাদ্রাসা থেকে। ইসলাম ধর্ম বা আরবী ভাষা সম্পর্কে গাফ্্ফার চৌধুরীর জ্ঞান
কোন অংশে তাঁর সমালোচনাকারীদের চেয়ে কম নয়। নিউইয়র্কে তাঁর ভাষণের খণ্ডিত
অংশে নিজেদের পছন্দমতো শব্দ বসিয়ে জামায়াত-বিএনপির গণমাধ্যম ও সামাজিক
মাধ্যমে যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে তা