কলামিস্ট কলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কলামিস্ট কলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় বিএনপির সম্পৃক্ততা এবং বিচারে প্রহসন || মোহাম্মদ হেলাল মিয়া


২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় বিএনপির সম্পৃক্ততা এবং বিচারে প্রহসন || মোহাম্মদ হেলাল মিয়াসম্পাদনায়,খোরশেদ আলম,বাংলাদেশ প্রেস || বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সমাবেশে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১১ বছর পূর্ণ হলো। বিভীষিকাময় সেই ভয়ানক গ্রেনেড হামলায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের স্ত্রী নারী নেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন কয়েকশ’ মানুষ। আহতদের যারা বেঁচে আছেন তারাও প্রতিনিয়ত যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। এদের মধ্যে অনেকেই চিরদিনের মতো পঙ্গু হয়ে গেছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও রয়েছেন।

জাতীয় রক্ষীবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যাচার ও অপপ্রচার || এডভোকেট ওমর হাসান আল জাহিদ

জাতীয় রক্ষীবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যাচার ও অপপ্রচার || এডভোকেট ওমর হাসান আল জাহিদ

জাতীয় রক্ষীবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যাচার ও অপপ্রচার || এডভোকেট ওমর হাসান আল জাহিদসম্পাদনায়,খোরশেদ আলম,বাংলাদেশ প্রেস || অবশেষে পড়ে শেষ করলাম, আনোয়ার উল আলম-এর লেখা 'রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা' বইটি। চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ একটি বই। অনেক অজানা কাহিনী উন্মোচন করেছেন বইটির লেখক, যিনি জাতীয় রক্ষীবাহিনীর একজন প্রতিষ্ঠাতা উপ-পরিচালক ছিলেন। লেখকের আরেকটি পরিচয় হল তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে টাঙ্গাইলের 'কাদেরিয়া বাহিনী'র বেসামরিক প্রধান ছিলাম।

সাকাচৌর রায় ও আদালত অবমাননা

  • মুনতাসীর মামুন
বিচারকরা যেদিন ঘোষণা করলেন সাকাচৌর মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় ঘোষণা করা হবে ২৯ জুলাই, সেদিন থেকে মানুষ রায়ের জন্য একাগ্রচিত্তে অপেক্ষা করেছে। গোলাম আযমের রায়ের পর সম্ভবত সাকাচৌর রায় নিয়েই মানুষ উদ্বিগ্ন ছিল বেশি। প্রশ্ন উঠতে পারে, আদালতে হাই প্রোফাইল কোন মামলা হলেই সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ। কারণ, এ ধরনের হাই প্রোফাইল মামলার পক্ষে-বিপক্ষে থাকে রাজনৈতিক শক্তিÑ আওয়ামী লীগের পক্ষের আর বিপক্ষের মানুষজন।
প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন এই উদ্বেগ! উদ্বেগের কারণ, ১৯৭৫ সালে মোশতাক-জিয়া দেশটাকে দু’ভাগে ভাগ করে ফেলেছেন। মানুষের মনোজগত এত সফলভাবে পাকিস্তানীরা ছাড়া আর কেউ বিভক্ত ও প্রভাবান্বিত করতে পারেনি। জিয়া পাকিস্তানী বাঙালী জাতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন মনোজগতে অস্ত্রোপচার করে এবং তাতে সফলও হয়েছেন। বিচারক, সাংবাদিক, শিক্ষক, সরকারী কর্মচারী সবাই এখন দু’ভাগে বিভক্ত। আপনি বিষয়টি অস্বীকার করতে পারেন; কিন্তু সেটা হবে বাস্তবকে বা সত্যকে অস্বীকার। সে কারণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কোন বিষয় আলোচনায় এলেই দুটি ভাগ হয়ে যায়। টাকা পয়সার ক্ষেত্রে নয়।

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপট ও অপপ্রচার

বিএনপি এবং জামায়াত জোট প্রায়ই অভিযোগ করে থাকে যে, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের জন্য কেবলমাত্র বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগ সরকারই দায়ী ছিল। এ মিথ্যা অভিযোগটি প্রকৃতপক্ষে কতটুকু সত্য?

তাদের মিথ্যা অভিযোগ হল “চোরাচালানের মাধ্যমে বিপুল পরিমান খাদ্যশস্য ভারতে পাচারই দুর্ভিক্ষের মূল কারণ। বঙ্গবন্ধুর সরকার চোরা-চালানকারীদের বাধা দেয়নি কারণ তারা নাকি সবাই আওয়ামীলীগের কর্মী বা সদস্য ছিল”।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর, বঙ্গবন্ধুর নামে যে কুৎসা রচনার প্রতিযোগীতা শুরু হয় তারই ধারাবাহিকতায় এই অবান্তর ও অতিরঞ্জিত কাহিনী প্রচার করে বঙ্গবন্ধুর ভাবমূর্তিকে খাটো করার অপচেষ্টা চালানো হয়। খালেদা জিয়া, এরশাদ বা জামায়াত-শিবির তথা স্বাধীনতা বিরোধীরা সবাই এই অপপ্রচারে অংশগ্রহণ করেছেন। দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় বোবা বাসন্তীকে জাল পরিয়ে আফতাব আহমেদের সেই বিখ্যাত ছবিও এসব ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচারেরই একটি অংশ ছিল। যার স্বরূপ পরবর্তীতে জনসম্মুখে উন্মোচিত হয়েছে।

আক্রান্ত আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ও ধর্মের দুর্বৃত্তায়ন

তারিখ: ১২/০৭/২০১৫
মদিনায় এক সন্ধ্যায় হাঁটতে বেরিয়েছি। সদর রাস্তার এক পাশে দেখি মেলার মতো কিছু একটা হচ্ছে। গেলাম। শামিয়ানার নিচে ফলের পশরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। এক কোণে সাদা একটি স্ক্রিন। সামনে কিছু চেয়ার। ডকুমেন্টারি দেখানো হচ্ছে। লোকজন নেই। আমি একা দর্শক হয়ে বসলাম। হজের ওপর চলচ্চিত্র। হযরত মোহাম্মদ (দ.)-এর আগেও মানুষ কিভাবে হজ পালন করত তা দেখানো হচ্ছে। এক সময় দেখা গেল উটে চড়েও কাবা শরীফ প্রদক্ষিণ করছেন কয়েকজন।
এতটুকু পড়ার পর যদি কেউ বলেন, না এটি ঠিক নয়। মোহাম্মদ (দ.) ইসলাম প্রবর্তন করেছেন, হজ তিনিই চালু করেছেন। অতএব যারা এসব বলে তারা মুরতাদ। খারিজ হয়ে গেল ধর্ম থেকে। আপনি তখন কী বলবেন? কী উত্তর হবে এই অজ্ঞতার, মূর্খতার? তাদের এই হুঙ্কার আমাকে মেনে নিতে হবে? হযরত ইব্রাহীম বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেন, যাকে বলা হয়ে থাকে আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্মিত প্রথম ঘর বা কাবা। তিনি হযরত ইব্রাহীমকে নির্দেশ দেনÑ ‘আমার গৃহকে পবিত্র রাখিও তাদের জন্য যারা তাওয়াব করে এবং যারা সালাতে দাঁড়ায়, রুকু করে ও সিজদা করে এবং মানুষের কাছে হজের ঘোষণা করে দাও, ওরা তোমার কাছে পদব্রজে ও সর্বপ্রকার দ্রুতগামী উস্ট্রের পৃষ্ঠে, ওরা আসবে দূর-দূরান্তের পথ অতিক্রম করে।’ কাবাকে কেন্দ্র করে তিনিই হজের প্রবর্তন করেন। হযরত মোহাম্মদ (দ.) নয়। এই সত্য বললে কি আমি খারিজ হয়ে যাব?

আমি তাদের চাইতে বড় মুসলমান : গাফফার চৌধুরী

মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০১৫ তারিখে ভোর ১২ টা ০০ মিনিটে প্রকাশিত

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

আমি তাদের চাইতে বড় মুসলমান : গাফফার চৌধুরীবাংলাদেশ প্রেস ডেস্ক || ধর্ম অবমাননার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের কিছু তথাকথিত ইসলামপন্থী দল মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে।

গাফফার চৌধুরী ভাষ্যমতে, ‘যারা ধর্মকে রাজনৈতিক পুঁজি করেছে, তারাই আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি তাদের চাইতে অনেক বড় মুসলমান।’

আব্দুল গাফফার চৌধুরী ভুল কিছু বলেনি || মেহেদী হাসান

আব্দুল গাফফার চৌধুরী ভুল কিছু বলেনি || মেহেদী হাসানআমার এক চাচার নাম আজিজ, দাদার নাম ময়েয, আরেক প্রতিবেশি চাচার নাম রহিম, গ্রাম সম্পর্কে দাদার নাম রহমান। প্রতিবেশি দাদার নাম সাত্তার, মামার নাম গাফফার।। এভাবে হাজারও নাম আছে।
বহুদিন এগুলো মানুষের নামই জেনে আসছিলাম।

বড় হয়ে আরবি কায়দা শিখতে গিয়ে আল্লাহর ৯৯ নামের ঘর পড়তে গিয়ে দেখিলাম, না ঐগুলো শুধু আমার দাদা চাচার নাম না। আল্লাহরও পবিত্র নাম। তখন হুজুরকে বললাম, হুজুর এইযে আল্লাহর নামে আমরা মানুষ কে ডাকি এতে পাপ হয় না? আল্লাহর সাথে কারও শিরিক চলবেনা তবে ছেলেদের নাম কেন আল্লাহর নামে রাখে। সহজ প্রশ্নের উত্তর দিতে হুজুরের দেরি হল না। বললেন, সন্তানের নাম যদি আল্লাহর নামের সাথে মিলে রাখে তবে সেটার আগে আব্দুল যুক্ত করতে হয়! আমি বললাম, লিখার সময় আব্দুল লিখলেও ডাকার সময় কেউ তার সন্তান বা পরশীকে আব্দুল অমক বলে ডাকেনা। হুজুর বললেন সেটাতে কঠিন পাপ হবে!

একুশ শতক ॥ হাওড় বাংলার রূপান্তর

একুশ শতক ॥ হাওড় বাংলার রূপান্তর

তারিখ: ২১/০৬/২০১৫
  • মোস্তাফা জব্বার
॥ এক ॥
বাংলাদেশ কতটা বদলেছে আর কতটা সফল হয়েছে তার নানা ধরনের মাপকাঠি আছে। দুনিয়ার সকল দেশ নিয়েই এমনটা আছে। তবে যদি আজ (১৮ জুন ২০১৫) বাংলাদেশের সাফল্যের কথা কাউকে জিজ্ঞেস করেন তবে তার একটিই মন্তব্য হবে- এই বাংলাদেশ সেই বাংলাদেশ তো নাই-ই- এটি আনন্দবাজারের ভাষায় শের-ই-বাংলা; ক্রিকেটের টাইগারদের দেশ।
এই দেশটি ১৯৪৭ সাল থেকে ২৩ বছর পাকিস্তানে ছিল। সেই দেশটি দুনিয়াজোড়া ক্রিকেট খেলত। কিন্তু ২৩ বছরে একজন বাঙালী ক্রিকেট খেলোয়াড় পাকিস্তান ক্রিকেট টিমে ঠাঁই পায়নি। স্বাধীনতার পর আমরা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ডাংগুলির মতো ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি। অতি কষ্টে ওয়ান ডে স্ট্যাটাস ও আরও বহুগুণ বেশি কষ্টে টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছি। পাকিস্তান-ভারত দুই দেশই আমাদের খেলা দেখে হাসত। আমাদের আন্তর্জাতিক স্ট্যাটাস বাতিলের কথাও বলা হয়েছে। ক্রিকেটে সিধুজীদের হাসি-ঠাট্টা-তামাশা নিয়ে আমরা বুড়ো হয়েছি। আমাদের সন্তানরা ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে মাথা নিচু করে ঘরে ফিরত। মার আঁচলে মুখ লুকিয়ে চোখের পানি ফেলত। সেই বাংলাদেশ মাত্র ক’দিন আগে পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ করেছে এবং ১৮ জুন ২০১৫ প্রথম ওয়ানডেতে ভারতকে তুলাধোনা করে ৭৯ রানে হারিয়েছে। আরও দুটি খেলা ভারতের সঙ্গে হবে। হতে পারে তাতেও আমরা সফল হব। হতে পারে ভারতের সঙ্গে সিরিজ জিতব বা হতে পারে ভারতকেও বাংলাওয়াশ করব। যদি তা নাও হয় তবুও ১৮ জুনই আমাদের বিজয়ের এক মাইলফলক। ১০ বছর আগেও এমন একটি মাইলফলক আমরা তৈরি করেছিলাম অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে। সঙ্গত কারণেই এটি হচ্ছে নতুন প্রজন্মের কাছে সফলতার বাংলাদেশ।

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয় (৪)

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয়

তারিখ: ২১/০৬/২০১৫
  • মুনতাসীর মামুন
জিয়াউর রহমান ও লে. জে. এরশাদ সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন করে আলবদরদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। খালেদা জিয়া সেটিকে আরো জোরদার করার জন্য আলবদরদের মন্ত্রী-এমপি বানিয়েছিলেন। শুক্রবারের পর আজ পড়ুন শেষ কিস্তি।

এদের পক্ষে বলার জন্য টিভি চ্যানেলগুলোতে খুঁজে খুঁজে লোক আনা হয়। অনেক পত্রিকা এদের দলগুলোর প্রতি সমব্যথী, শুধু এই কারণে যে, শেখ হাসিনাকে তারা পছন্দ করেন না। এরা প্রগতিশীল হিসেবে খ্যাত। কিন্তু এরা এ বিষয়টি বুঝেও বুঝতে চান না যে, টিভির টকশোয়ের রেটিং বৃদ্ধির নামে, কাগজের সার্কুলেশন বৃদ্ধি বা নিরপেক্ষতার নামে এরা আলবদরদের সমর্থন করছেন।

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয় (৩)

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয়

তারিখ: ১৯/০৬/২০১৫
  • মুনতাসীর মামুন
১৯৭১ সালে আলবদর কমান্ডার মুজাহিদের মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো উঠে এসেছিল সে সময়কার পত্র-পত্রিকায়। মুজাহিদের উদ্দেশ্য ছিল এদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা, যাতে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে জাতি মেধা শূণ্য হয়Ñ গতকালের সম্পাদকীয় পাতার পর আজ তৃতীয় কিস্তি পড়ুন চতুরঙ্গ পাতায়

যদি আপনাদের ঘরের দহলিজগুলো আপনাদের জন্য বন্ধ এবং আরাম আলয়গুলির প্রশস্ততা আপনাদের জন্য সঙ্কীর্ণ করে দেয়া হয় তাহলে হিজরত করে চলে যাবেন। কেননা হিজরত হচ্ছে আল্লাহর প্রতিশ্রুতি পালন পথে অনিবার্য সফর। হিজরত আল্লাহর সর্বশেষ নবীর সুন্নত।...

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয় (২)

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয়

তারিখ: ১৮/০৬/২০১৫
  • মুনতাসীর মামুন
আলবদর কমান্ডার মুজাহিদের ফাঁসির রায় বহাল রেখেছে ট্রাইব্যুনাল। রায়ে এটি সর্বোচ্চ শাস্তি হলেও ৭১-এ তার অপরাধের পরিধি এতই ব্যাপক ছিল যে, কেবল ফাঁসিই তার জন্য যথেষ্ট নয়- গতকালের চতুরঙ্গ পাতার পর আজ দ্বিতীয় কিস্তি পড়ুন সম্পাদকীয় পাতায়-

সাংবাদিক আনিসুর রহমান শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমি দেখে এসে বলেছিলেন- ‘ইতিহাসে পৈশাচিকভাবে হত্যার অনেক কাহিনী পড়েছি। কিন্তু শিয়ালবাড়িতে ওই পিশাচরা যা করেছে এমন নির্মমতার কথা কি কেউ পড়েছেন বা দেখেছেন? কসাইখানায় কসাইকে দেখেছি জীবজন্তুর গোস্তকে কিমা করে দিতে। আর শিয়ালবাড়িতে গিয়ে দেখলাম কিমা করা হয়েছে মানুষের হাড়। একটা মানুষকে দু’টুকরো করলেই যথেষ্ট পাশবিকতা হয়, কিন্তু তাকে কিমা করার মধ্যে কোন্্ পাশবিকতার উল্লাস?

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয় (১)

কেন আলবদরদের জন্য ফাঁসিও যথেষ্ট নয়

তারিখ: ১৭/০৬/২০১৫
  • মুনতাসীর মামুন
হবে কী হবে না? হ্যামলেটের সেই বিখ্যাত উক্তির মতো-‘টুবি অর নট টু বি’। মুজাহিদের দ-ের দু’একদিন আগে থেকে এ প্রশ্নটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল বিভিন্ন মহলে। উন্নয়নের ধাক্কায় যখন রাস্তাঘাট বিপর্যস্ত, মানুষ ঘর্মাক্ত ও বিরক্ত তখনও এ প্রশ্ন ছিল অনেকের মুখে। আমাকে ফোন করে জানতে চেয়েছেন অনেকে, যেন আমি সবজান্তা। আমি পরে নিজেকে প্রশ্ন করেছি, এ উদ্বেগ কেন সবার মাঝে? মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের দণ্ড হওয়ার পর আপীল বিভাগে গেলে কেন এ প্রশ্ন ওঠে? এর অর্থ মানুষের সম্পূর্ণ আস্থা নেই। না থাকার কারণ কি? কারণ, পূর্ববর্তী কয়েকটি রায়ে ইতিহাস অমান্য করে দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ। আইন দিয়ে ইতিহাস ঠেকানো কেউ পছন্দ করেনি একমাত্র জামায়াত-বিএনপি ছাড়া। এ বিষয়টি আইনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সবার ভেবে দেখা উচিত। পদে গেলে পদ এক সময় সবাইকে হারাতে হয়। তখন? উচ্চ আদালতের অনেক বিচারককে প্রকাশ্যে কেন দেখা যায় না পদ হারানোর পর। এর মধ্যে প্রধান বিচারপতিই আছেন কয়েকজন। সাম্প্রতিককালে একমাত্র বিচারপতি খায়রুল হক-ই দিব্যি হেসে খেলে অবসরোত্তর জীবন যাপন করছেন। কেন?

মুজাহিদের ফাঁসি

মুজাহিদের ফাঁসি

তারিখ: ১৮/০৬/২০১৫
ইতিহাস যাদের ক্ষমা করেনি, জাতি হিসেবে বাঙালীও তাদের ক্ষমা করতে পারে না। ইতিহাসের দায় তাকে মেটাতেই হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিলেন তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে চার দশক পরও। জাতি কোনদিন ভাবেনি বাঙালী নিধন, নারী ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সহযোগী সশস্ত্রবাহিনী রাজাকার, আলবদররা তালিকা করে এ দেশের স্বাধীনতাকামী মানুষকে হত্যা করবে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান



তিনি শুধুমাত্র একজন ব্যাক্তি নন। একটি প্রতিষ্ঠান। একটি আন্দোলন। একটি বিপ্লব। একটি অভ্যুত্থান। জাতি নির্মাণের কারিগর। মহাকাব্যের অমর গাঁথা এবং একটি ইতিহাস।
এই ইতিহাসের ব্যাপ্তি হাজার বছর। তাই সমকাল তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী হিসেবে। ভাবীকাল তাঁকে স্বীকৃতি দেবে মহাকালের মহানায়ক রুপে।

সৌদিতে ৪০ দিন পর মুক্ত চরমোনাই পীরের ভাই http://www.bhorerkagoj.net/online/2015/07/08/93583.php

সৌদিতে ৪০ দিন পর মুক্ত চরমোনাই পীরের ভাই

বুধবার, ৮ জুলাই ২০১৫
Untitled-2কাগজ অনলাইন ডেস্ক: সৌদি আরবে আটক হওয়া চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীমের ভাই ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফায়জুল করিমকে মুক্তি দিয়েছে দেশটির পুলিশ।
আটকের ৪০ দিন পর মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) সন্ধ্যায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয় বলে ফয়জুল করিমের ভক্ত সাইফুল ইসলাম অপূর্ব বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৬ মে রিয়াদের ১৬ নম্বর এক্সিটের কাছের একটি কমিউনিটি সেন্টার থেকে স্থানীয় সময় রাত ১২টায় এক মাহফিল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। এরপর তাকে কয়েক দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তবে কী কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো এবং কী শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ওমরাহ পালন করে চলতি সপ্তাহে দেশে ফেরার কথা রয়েছে ফয়জুল করিমের। বর্তনামে তিনি রিয়াদের হলিডে ইন হোটেলে অবস্থান করছেন।
- See more at: http://www.bhorerkagoj.net/online/2015/07/08/93583.php#sthash.UOVEQ5YB.dpuf

জঙ্গী মৌলবাদীদের আস্ফালন কেন?


তারিখ: ১২/০৭/২০১৫
নিউইয়র্কের বাংলাদেশ মিশনে ভাষা সংগ্রামী, দেশবরেণ্য লেখক ও সাংবাদিক আবদুল গাফ্্ফার চৌধুরীর ভাষাসংক্রান্ত কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি জোট দেশে ও প্রবাসে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নতুন ইস্যু যোগ করার এক হীন চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। গাফ্্ফার চৌধুরীর মতো একজন নিষ্ঠাবান মুসলমানকে ‘নাস্তিক’, ‘মুরতাদ’, ‘কাফের’ আখ্যা দিয়ে ইসলামের কথাকথিত ধ্বজাধারীরা যে কোরানের ভাষায় কবিরা গুনাহ করে জাহান্নামে নিজেদের স্থান নির্দিষ্ট করেছে- এ নিয়ে তাদের ভ্রƒক্ষেপ নেই। পবিত্র কোরানে যাদের আস্থা আছে তারা কখনও একজন মুসলমানকে ‘নাস্তিক’, ‘মুরতাদ’ বা ‘কাফের’ বলতে পারেন না।
তারা শুধু গাফ্্ফার চৌধুরী নয়, কবি সুফিয়া কামাল থেকে শুরু করে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন পর্যন্ত নিষ্ঠাবান মুসলমানদের ‘নাস্তিক’, ‘মুরতাদ’, ‘কাফের’ বলেছে। কারণ তাঁরা মুসলমান হয়েও মানবতার কথা বলেন, ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধাচরণ করেন, ইসলামের নামে গণহত্যাকারী ও নারী ধর্ষণকারীদের বিচার ও শাস্তি দাবি করেন, ধর্মের পবিত্রতা রক্ষার জন্য রাষ্ট্র ও রাজনীতি থেকে ধর্মকে পৃথক রাখার কথা বলেন।
আবদুল গাফ্্ফার চৌধুরী ধর্মীয় পরিচয়ে একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান, রাজনৈতিক পরিচয়ে ধর্মনিরপেক্ষ মানবতার আদর্শে বিশ্বাসী। তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছে মাদ্রাসা থেকে। ইসলাম ধর্ম বা আরবী ভাষা সম্পর্কে গাফ্্ফার চৌধুরীর জ্ঞান কোন অংশে তাঁর সমালোচনাকারীদের চেয়ে কম নয়। নিউইয়র্কে তাঁর ভাষণের খণ্ডিত অংশে নিজেদের পছন্দমতো শব্দ বসিয়ে জামায়াত-বিএনপির গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে তা

খালেদা মহানবীর (সাঃ) মতো স্বশিক্ষিত’-বললেন বিএনপি নেতা মোহন এটিএন টকশোতে (ভিডিও)

https://www.facebook.com/video.php?v=935371803160112&set=vb.536516216379008&type=2&theater

www.bd-journal.com/খালেদা মহানবীর (সাঃ) মতো স্বশিক্ষিত- বিএনপি নেতা মোহন (ভিডিও)/463

খালেদা মহানবীর (সাঃ) মতো স্বশিক্ষিত’- বিএনপি নেতা মোহন (ভিডিও)

পলিটিক্স ডেস্ক
বিডি-জার্নাল.কম
 ‘খালেদা মহানবীর (সাঃ) মতো স্বশিক্ষিত’- বিএনপি নেতা মোহন (ভিডিও)

মহানবী (সাঃ) এর সাথে খালেদা জিয়ার তুলনা করলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক সহকারী প্রেস সচিব মহিউদ্দিন খান মোহন। খালেদা জিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রসঙ্গে মোহন বলেছেন যে খালেদা জিয়া অশিক্ষিত হলে মহানবীও (সাঃ) অশিক্ষিত, কারণ দুজনের কেউ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত নন। এটিএন নিউজের টকশো নিউজ আওয়ার এক্সট্রাতে আজ এই মন্তব্য করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস যাত্রা ॥ বার্নে শোনা ৭ মার্চের ভাষণ




বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস যাত্রা ॥ বার্নে শোনা ৭ মার্চের ভাষণ
ওয়ালি-উর রহমান
৭ মার্চ ১৯৭১। আমি তখন সুইজারল্যান্ডে। কয়েক দিনের রেডিও টিভি ও সংবাদপত্রের খবরে জানতে পেরেছিলাম বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেবেন মার্চের ৭ তারিখে রেসকোর্সে। ইউরোপের প্রধান দৈনিকগুলো-লন্ডন টাইমস্, টেলিগ্রাফ, ইকোনমি, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, অবজারভার, লোমন্ড, জার্নাল জনেড আমি নিয়মিত পড়তাম। নদীর পাড়ে ছোট শহর বার্ন-সুইস রাজধানী, সেখানে একটি বিদেশী রেডিওতে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ঘোষণা শুনলাম। আমার কাছে একটা পুরনো রেডিও ছিল। সেখানে রেডিও পাকিস্তান শুনতে পেতাম। বার বার ওরা রিপিট করল বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। সেখানে স্পষ্ট শুনতে পেলাম তিনি বলছেন- “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এই ভাষণের ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রতিদিনই ফুটে উঠছে। বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত প্রতীকী স্টাইলে ভাষণটি দিয়েছেন।ৎৎ

^উপরে যেতে ক্লিক করুন