ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির

ঢাকা: সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান নিয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুলের শুনানির জন্য আবেদনটি কার্যতালিকায় এসেছে।

বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বে এবং বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে সোমবারের (২৮ মার্চ) কার্যতালিকায় দেখা যায় আবেদনটি।

এশিয়া মহাদেশের প্রথম মসজিদ বাংলাদেশে



এশিয়া মহাদেশের প্রথম মসজিদ বাংলাদেশে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০১৫
Description: metrotrainsকাগজ অনলাইন ডেস্ক: লালমনিরহাট জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে ৬৯ হিজরিতে নির্মিত প্রায় ১৩৬৮ বছরের পুরনো একটি মসজিদ রয়েছে। ১৯৮৭ সালের জানুয়ারিতে এই মসজিদের সন্ধান পাওয়া যায়
রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের কিলোমিটার দক্ষিণে পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস মৌজায় জঙ্গল টিলা পরিষ্কার করতে গিয়ে ২১ ফুট দৈর্ঘ্য ১০ ফুট প্রস্থের প্রাচীন মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়। এর দেয়াল সাড়ে চার ফুট পুরু, দরজা ১টি এবং চারকোণে ৪টি অষ্টকোণ-বিশিষ্ট স্তম্ভ ছিল। এর ধ্বংসস্তূপ থেকে কারুকার্যময় ইট আর গম্বুজেরও সন্ধান পাওয়া যায়। এখানে ছিল ইঞ্চি মাপের একটি শিলালিপি। এতে স্পষ্টাক্ষরে আরবি ভাষায় হিজরি ৬৯ সন আর কালেমা তাইয়্যেবা খোদাই করা ছিল। শিলালিপিটি বর্তমানে রংপুর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। তখন থেকেই এটিহারানো মসজিদনামে খ্যাতি পেয়েছে। এখানে মুসল্লিরা নিয়মিত নামাজ পড়ছেন
গবেষকদের মতে, এটিই এশিয়া মহাদেশের প্রথম মসজিদ। বর্তমানে মসজিদটির চারপাশ ঘিরে সুদৃশ্য মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ চলছে। এর নতুন নামকরণ হয়েছেসাহাবায়ে কেরাম মসজিদ
জনশ্রুতি আছে, ১৯৮৭ সালে জমির মালিক আবদুল গফুর গায়েবি কণ্ঠে আদিষ্ট হয়ে তার আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ফজরের ওয়াক্তে আজান দিয়ে পরিত্যক্ত স্থানটি পরিষ্কার করে নামাজ পড়া শুরু করেন। মসজিদ পুনর্নির্মাণ সংস্কারের জন্য স্থানীয় জনসাধারণ ২০ শতক জমি ওয়াকফ করেছেন। বর্তমানে সেখানে নতুন মসজিদ নির্মাণের কাজ চলছে

আজানের ভাষায় পরিবর্তন: মিশরে মুয়াজ্জিনের সাজা


অনলাইন ডেস্ক॥ মিশরে একটি মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেযা হচ্ছে - কারণ তিনি আজানকে ′যুগোপযোগী′ করার চেষ্টায় এর ঐতিহ্যগত ভাষায় পরিবর্তন এনেছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, মাহমুদ আল-মোগাজী নামের ওই মুয়াজ্জিন - আজান দেবার সময় ′ঘুমানোর চাইতে নামাজ উত্তম′ এই ঐতিহ্যগত ভাষার পরিবর্তন করে আজান দেন ′ফেসবুকে সময় কাটানোর চাইতে নামাজ উত্তম′।
নীলনদের অববাহিকায় কাফর আল-দাওয়ার নামে এক শহরের মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে ′ফেসবুকে সময় কাটানোর চেয়ে নামাজ উত্তম′ - মসজিদ থেকে এই অভিনব আজান শুনতে পেয়ে স্থানীয় লোকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, এবং মি. আল-মোজীর বিরুদ্ধে এক অভিযোগ দায়ের করেন।
এর পর মি. আল-মোগাজীকে সাময়িকভাবে বরথাস্ত করা হয়, এবং মিশরের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে ′আজানের ভাষায় পরিবর্তনের অভিযোগে′ আইনী ব্যবস্থা নিচ্ছে।
তবে মুয়াজ্জিনেআল-মোগাজী এর প্রতিবাদ করছেন। তিনি স্থানীয় এক টিভির চ্যাট-শো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বলেন, তিনি এর প্রতিবাদে অনশন ধর্মঘট করছেন।
তিনি বলছেন, তিনি রাষ্ট্রপতি আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসির কাছেও আবেদন জানাচ্ছেন যেন তাকে এ অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
সূত্র : বিবিসি বাংলা

এক্সক্লুসিভ ও খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাংলা ইসলামিক বই


আল কুরআন শিক্ষাঃ

▬▬▬▬▬▬▬▬
✩  Quranic word Dictionary in bangla.pdf
ডাউনলোড লিংকঃ
http://www.mediafire.com/?1mr55brmah32nxh

✩  learn-quran-easy.pdf
ডাউনলোড লিংকঃ
http://www.mediafire.com/?dx91stgm4c9ettk

তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো — আল-বাক্বারাহ ১০৪


আপনি একটি কনফারেন্সে এসেছেন একজন বিখ্যাত সাইকিয়াট্রিস্টের কথা শুনতে। সেই বক্তার সম্পর্কে আপনি অনেক ভালো কথা শুনেছেন আগে। তাই আপনি বেশ আশা নিয়ে বসে আছেন যে, আজকে একটা ভালো অভিজ্ঞতা হবে, অনেক কিছু জানতে পারবেন। বক্তৃতা শুরু হলো। বক্তা তরুণ সমাজের বেহাল অবস্থা নিয়ে নানা ধরনের বৈজ্ঞানিক মন্তব্য করছেন। তখন আপনার পাশের বন্ধু, যার অবস্থার সাথে বক্তার কথা বেশ মিলে যাচ্ছে, তাড়াতাড়ি বলা শুরু করল, “আরে গাধাটা বলে কি! ও কোথা থেকে এই সব আবোল তাবোল জিনিস শিখে এসেছে?” সাথে সাথে বক্তার উপর আপনার সব শ্রদ্ধা চলে গেল। বাকি সময়টা আপনিও বক্তার কথা পজেটিভলি বোঝার চেষ্টা না করে, উল্টো তার প্রতিটা কথায় দোষ ধরা শুরু করলেন।

বিশ্বাস করব না, যতক্ষণ না আল্লাহকে নিজের চোখে দেখছি—বাকারাহ ৫৫

আল্লাহ ﷻ বনি ইসরাইলিদেরকে ফিরাউনের হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা করেছিলেন,  তিনি তাদের জন্য সমুদ্রের পানি দুইভাগ করে দিয়েছিলেন, যেন তারা ফিরাউনের হাত থেকে নিরাপদে সরে যেতে পারে। তারপর তিনি ফিরাউনকে বনি ইসরাইলিদের চোখের সামনেই পানিতে ডুবিয়ে দিলেন, যেন ফিরাউনের মৃত্যু নিয়ে তাদের কোনো ধরনের সন্দেহ না থাকে। এত কিছুর পরেও যে-ই নবী মুসা ﷺ আল্লাহর ﷻ কাছ থেকে শারি’আহ নিয়ে এলেন এবং বনী ইসরাইলিদেরকে বললেন তাদের ভুল বিশ্বাস, শিরকের অভ্যাস, এবং নষ্ট সংস্কৃতিকে বর্জন করে, সেই শারিয়াহ অনুসারে তাদের জীবন-যাপন করতে, তখন শুরু হয়ে গেল তাদের নানা ধরনের টালবাহানা—

তোমরাও কি সেভাবেই তোমাদের নবীকে প্রশ্ন করতে চাও? — আল-বাক্বারাহ ১০৮

হাজার বছর আগে মুসা ﷺ নবীকে বনি ইসরাইলিরা নানা ধরনের প্রশ্ন করত: “আল্লাহ ﷻ কোথায়? দেখাও আমাদেরকে। আল্লাহকে ﷻ নিজের চোখে না দেখলে, নিজের কানে তাঁর আদেশ না শুনলে বিশ্বাস করব না।” তার শত বছর পরে নবী মুহাম্মাদ-কেও ﷺ একই ধরনের প্রশ্ন করা হত: “সাফা পাহাড়কে সোনার পাহাড় বানিয়ে দেখাও দেখি? আকাশ থেকে একটা বই এনে দেখাও দেখি?”[১৪] হাজার বছর পরে আজ বিংশ শতাব্দীতে এসে এখনও আল্লাহর ﷻ সম্পর্কে একই ধরনের প্রশ্ন করতে দেখা যায়। শুধু প্রশ্নগুলো আগের থেকে আরও ‘আধুনিক’ এবং ‘বৈজ্ঞানিক’ হয়েছে, এবং কথা ও যুক্তির মারপ্যাঁচে একটু বেশি গম্ভীর শোনায় —এই যা।

সে সঠিক পথ থেকে একেবারেই হারিয়ে গেছে — আল-বাক্বারাহ ১০৮ পর্ব ২

হাজার বছর আগে মুসা ﷺ নবীকে বনি ইসরাইলিরা নানা ধরনের প্রশ্ন করত: “আল্লাহ ﷻ কোথায়? দেখাও আমাদেরকে। আল্লাহকে ﷻ নিজের চোখে না দেখলে, নিজের কানে তাঁর আদেশ না শুনলে বিশ্বাস করব না।” হাজার বছর পরে আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে এখনও আল্লাহর ﷻ সম্পর্কে সেই একই ধরনের প্রশ্ন করতে দেখা যায়। শুধু প্রশ্নগুলো আগের থেকে আরও ‘আধুনিক’ এবং ‘বৈজ্ঞানিক’ হয়েছে, এবং কথা ও যুক্তির মারপ্যাঁচে একটু বেশি গম্ভীর শোনায় —এই যা।
2_108
যেভাবে মুসাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তোমরাও কি সেভাবেই তোমাদের নবীকে প্রশ্ন করতে চাও? যে ঈমানকে কুফরি দিয়ে বদল করে, সে সঠিক পথ থেকে একেবারেই হারিয়ে গেছে। [আল-বাক্বারাহ ১০৮]

মুমিনরা, তোমাদেরকে আদেশ করা হয়েছে অন্যায়ভাবে হত্যার বিরুদ্ধে অনুরূপ প্রতিশোধ নিতে —আল-বাক্বারাহ ১৭৮-১৭৯

গত কয়েক শতকে কিছু মনীষী যেমন গান্ধী, টলস্টয় এসে অপরাধীদেরকে করুণা দেখানো এবং হত্যাকারীদেরকে সোজা ফাঁসি না দিয়ে তাদেরকে সংশোধন করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অনেক ‘মহৎ উদ্যোগ’ নিয়ে গেছেন।[৭] তাদের অধ্যবসায়ের ফলাফল: আজকে পশ্চিমা দেশগুলোতে এমন জটিল সব আইন তৈরি হয়েছে যে, হত্যাকারীরা আজকাল হত্যা করে ফাঁসি পাওয়ার পরিবর্তে আইনের জটিল গলিঘুপছি দিয়ে বেরিয়ে এসে হয় মানসিক রোগী উপাধি পেয়ে অত্যাধুনিক ফাইভ-স্টার হোটেলের মতো হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা পাচ্ছে, না হয় থ্রি-স্টার হোটেলের মতো কারাগারে তিনবেলা খাবার, নিজের ব্যক্তিগত কক্ষ, সকালে-বিকালে খেলাধুলার ব্যবস্থা পাচ্ছে। এইসব কয়েদী, যাদের ফাঁসি হয়ে যাওয়ার কথা, ফাঁসি না পেয়ে জনগণের কোটি কোটি টাকার ট্যাক্সের টাকায় নিশ্চিন্ত জীবন পার করছে। এদের চাকরি-ব্যবসা করতে হয় না, পরিবার চালাতে হয় না, সমাজের কোনো কল্যাণে অবদান রাখতে হয় না।

তিনি সেটাকে বলেন ‘হও’, আর তা হয়ে যায় — আল-বাক্বারাহ ১১৭


ওমর আল জাবির
কীভাবে কোনো কিছুর সৃষ্টি হয়, এনিয়ে নানা ধর্মে নানা মতবাদ রয়েছে। কিছু ধর্ম মতে: বস্তু এবং শক্তি সবসময়ই ছিল, সেগুলোর শুধুই রূপান্তর হয়। এর বিরুদ্ধে খুব সহজ কিছু যুক্তি এবং পর্যবেক্ষণ দিয়ে তা ভুল প্রমাণ করা যায় (দেখুন আল-বাক্বারাহ ১০৮)। আবার কিছু ধর্ম (এমনকি বৈজ্ঞানিক মতবাদও) প্রচার করে: মহাবিশ্ব সৃষ্টির আগে এক মহা-মহাবিশ্ব ছিল, যেখানে যা কিছু সৃষ্টি হওয়া সম্ভব, তার সবকিছু সৃষ্টি হচ্ছে, এবং আমাদের মহাবিশ্বের মত আরও অসংখ্য মহাবিশ্ব রয়েছে।

শেখ হাসিনার সরকারের দ্বিতীয় আমলে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে গৃহীত কার্যক্রম সমূহের আংশিক বিবরণ




. ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
আলেম-ওলামাদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল
দেশে একটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। শেখ
হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি আমলে নেন
এবং তার দ্বিতীয় আমলে ইসলামি আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
. ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা
দেশের ইমাম মুয়াজ্জিনদের কল্যণে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রথম মেয়াদে (১৯৯৬-২০০১)ইমাম-মুয়াজ্জিন
কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত কল্যান
ট্রাস্টে চলতি বছরে .০০ কোটি টাকা বরাদ্দ
বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে এই ফান্ডে ২৮
কোটি টাকা জমা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত সরকার
ফান্ডে যথেষ্ঠ অর্থ বরাদ্দ দেয়নি। তারা রাজনৈতিক
উদ্দেশ্যে আলেম-ওলামাদের ব্যবহার করেছে

ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর যুগান্তকারী অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাক

আতাউর রহমান
ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০১৫ (বাসস) : সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রেখে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা ও জায়গা বরাদ্দ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গঠন, বিশ্ব ইজতেমার জমি বরাদ্দ, বাংলাদেশের ওআইসি সদস্য পদ লাভ এবং সউদী আরবে কম খরচে হজ যাত্রীদের পবিত্র হজ পালনের উদ্যোগ, মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ এবং বেতার ও টেলিভিশনে আল কুরআনের বাণী প্রচার করাসহ ইসলামী মূল্যবোধ প্রচার ও প্রসারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অবদান যুগে যুগে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে অভিমত রেখেছেন এদেশের ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষকরা। পৃথক সাক্ষাৎকারে তারা বাসসকে এ সব অভিমত জানান।

ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ



ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ 

নিচে নারী ও পুরুষের উভয়ের জন্যই পবিত্রতা অর্জনের সঠিক পদ্ধতি বর্ণনা করা হচ্ছে। স্পষ্ট করে বলার পরেও অনেকে আবার প্রশ্ন করেন, নারীদের পবিত্রতার পদ্ধতি কি? নারী ও পুরুষের উভয়ের পদ্ধতিই এক।

পেশাব-পায়খানার পরে নাপাকী দুইভাবে দূর করা যেতে পারে -
১. পানি দ্বারা
২. ঢিলা-কুলুখ দ্বারা
^উপরে যেতে ক্লিক করুন