ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কিভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হয়ে গেল

বিগত নব্বই শতকের শেষ দিক। সবকিছুর পুরোধা ছিলেন রফিক (রফিকুল ইসলাম) নামের এক ক্যানাডা নিবাসী বাঙালি। চেহারা ছবিতে অসাধারাণ কিছু মনে হবে না দেখলে। চিরায়ত বাঙালি চেহারা, আলাদা কোন বিশেষত্ব চোখে মুখে নেই। কিন্তু যে কেউ একটু কথা বললেই বুঝবেন যে সাধারণ এই লোকটির মধ্যে লুকিয়ে আছে এক অমিত শক্তির স্ফুরণ। একসময় মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, দেশ-মাতৃকাকে মুক্ত করেছেন না-পাক বাহিনীর হাত থেকে। তো এই লোকটি একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পরিণত করার সম্মুখ যোদ্ধা হবেন না তো কে হবেন?

ভাষাবীর ধীরেন্দ্রনাথের বাড়িটি আজ ধ্বংসস্তুপ প্রায়!

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

x

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Decrease font Enlarge font
কুমিল্লা: মহান ভাষা আন্দোলনের প্রথম বীজ বপনকারী বলে খ্যাত, ইতিহাসের মহানায়ক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রায় সময়ই বলতেন,‘বাংলা ও বাঙ্গালীকে ছেড়ে আমি কখনো যেতে পারবো না। আমার হৃদয়জুড়ে রয়েছে বাংলা ও বাঙ্গালির প্রতি অসীম ভালবাসা।’

কুমিল্লার সূর্যসন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত তার কথা রেখে গেছেন, প্রিয় বাংলাকে ছেড়ে তিনি কোথাও যাননি। এই বাংলার মাটিতেই প্রবাহিত হয়েছে তার বুকের তাজা রক্ত।

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

ভাষা আন্দোলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বিশেষ অবদান রয়েছে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য


—————————————————————-
১। বঙ্গবন্ধু উপাধি> ২৩ফেব্রু ১৯৬৯সালে। তোফায়েল আহমেদ। রেসকোর্স ময়দানে।
২। জাতির জনক> ৩মার্চ ১৯৭১। আ, স, আব্দুর রব। পল্টন ময়দানে
৩। রাজনীতির কবি(Poet of politics) > ৫ এপ্রিল ১৯৭২ সালে মার্কিন সাময়িকী> ‘নিউজ উইক‘ ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধুর উপর একটি কভার স্টোরি করে।
৪। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি >> ২৬শে মার্চ ২০০৪ বিবিসির শ্রোতা জরিপে ২০তম সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় স্থান। ১৪এপ্রিল ২০০৮ সর্বকালের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
৫। পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি>৮জানু, ১৯৭২।

ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ্যা নাকি বাস্তবতা ?

ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ?
*********************************
একাত্তর সালে পাকিস্তানের জঙ্গি সদরে রিয়াসৎ জেনারেল ইয়াহিয়া খান সদম্ভে কইছিলেন, “ওদের ত্রিশ লক্ষ হত্যা কর, বাকীরা আমাদের থাবার মধ্যে থেকেই নিঃশেষ হবে।” (১)
কিছু বিতর্ক আছে ইচ্ছা কৈরা টিকায় রাখা হয়। আসলে বিতর্ক ফিতর্ক কিছু নাই, হুদাহুদি একটা গ্যানজাম লাগায় রাখন আর কি। স্বাধীনতার ৩৫ বছর পরেও একখান বিতর্ক ইদানিংকালে নয়া পাকিপ্রেমী রাজাকার-আলবদর গো মৈদ্দে দানা বাঁধছে আর তা হৈল, মুক্তিযুদ্ধে নাকি ত্রিশ লক্ষ লোক শহীদ হয় নাই, ব্যাপারটি নাকি হুদাই চাপাবাজি।

Zenaral Ziaur Rahman, khondokar Mostak and Zenaral Osmani at stay Radio Stration at 15 August 1975.



বঙ্গবীর আতাউল গনী ওসমানীকে নিয়ে আমার আছে নিরন্তর কৌতূহল, আছে আবেগমথিত সহস্র প্রশ্ন? তবে যে প্রশ্নগুলি আমাকে বারে বারে ক্ষত বিক্ষত করে, তা হোল– মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর প্রথম এডিসি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল নুর চৌধুরী, মরহুমের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ছেলে– বাড়ী সিলেট, বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এজন্য পরবর্তীতে সেনাবাহিনীতে সদ্য কমিশন পাওয়া বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ কামালকে ওসমানীর এ ডি সি হিসেবে নিয়োগ দিলেন।

খুনি নুর চৌধুরী এখন আছেন ক্যানাডায়, ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ওসমানী রেডিও সেন্টারে গেলেন, অন্তরালে থেকে জিয়া, ডালিম, রশিদ, নুর চৌধুরীকে নিয়ে মিটিং করলেন– তখন তাঁর কাছে বঙ্গবন্ধুর নিশংস হত্যাকাণ্ডের চাইতে রক্তপাত এড়িয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা বড় হয়ে উঠলো ? উপরন্তু মুশতাক কে সরকার হিসেবে মেনে নেওয়ায় কেন তিনি সুযোগ করে দিলেন ? ৭৫ এর ৩রা নভেম্বর বঙ্গশার্দূল বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল শাফায়াৎ জামিল মুশতাকের বুকের ওপর মেশিন গান তাক করে গুলিতে বুক ঝাঁজরা করার প্রত্যয় নিয়ে যখন সঙ্গিনসহ দৃপ্ত উচ্চারণ করলেন “You bastard killer of father of the nation, I will kill you just right at this

৬০ বছর বঙ্গবন্ধুর সাইকেলটি আগলে রেখেছেন তিনি


Mahfujur, Rajbari news (2) ১৯৭২ সালে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে আবদুল ওয়াজেদ মন্ডলকে প্রথম দেখাতেই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সেই সাইকেলটি কোথায়? আমি মরে গেলে বাইসাইকেলটি জাদুঘরে দিয়ে দিস।’ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনও জানতেন না তার ব্যবহৃত সেই সাইকেলটি সযত্নে রেখেছেন ওয়াজেদ। প্রশ্নের জবাবে ওয়াজেদ বলেন, সাইকেলটি তার কাছেই আছে। সাইকেলটি ফেরত না দিয়ে নিজের কাছে রাখার আবদার করেছিলেন। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর সেই সাইকেলটি আগলে রেখেছেন ওয়াজেদ। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত সেই বাইসাইকেলটি এখন তিনি জাদুঘরে দিতে চান।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের মৃত ওমেদ আলী মন্ডলের ছেলে আবদুল ওয়াজেদ মন্ডল। যখন বঙ্গবন্ধু তার সাইকেলটি ব্যবহার করেছিলেন তখন তিনি ছিলেন ১৫ বছরের কিশোর। এখন তার বয়স ৭৫ বছর। তার এক ছেলে ও তিন মেয়ে। তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান বকুল তাদের যেটুকু জমি আছে তা চাষাবাদ করে সংসার চলে। ওয়াজেদ মন্ডলের স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেসার নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।

ঘৃণা জানাতে খন্দকার মুশতাকের বাড়ির পথে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা


চ্যানেল আই অনলাইন
আবুল কাশেম হৃদয়
১৬ অগাস্ট ২০১৫, ১৭:০৯
ঘৃণা জানাতে খন্দকার মুশতাকের বাড়ির পথে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কুমিল্লার দাউদকান্দির দশপাড়া গ্রামে খন্দকার মুশতাকের বাড়ির দিকে যাত্রা করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। দাউদকান্দির শহীদ নগরের ট্রমা সেন্টারের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়।
দশপাড়া গ্রামে খন্দকার মুশতাকের বাড়িটি ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে খন্দকার মুশতাকের প্রতি নিন্দা জানাতে তার বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেন দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আলী সুমন। বিকাল ৪ টায় খন্দকার মুশতাকের বাড়ি ঘেরাওয়ের উদ্দেশে যাত্রার ঘোষণা দেয়া হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুপুর থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য খন্দকার মুশতাকের বাড়িটি ঘেরাও করে রেখেছে। দশপাড়া গ্রামের প্রবেশ পথে পুলিশ কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না।
দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ সুমন কুমিল্লার সংসদ সদস্য মে. জে. (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গভবনে খুনিদের যতো কাণ্ডকীর্তি

১৪ অগাস্ট ২০১৫, ২৩:০৭ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গভবনে খুনিদের যতো কাণ্ডকীর্তি
‘১৫ আগস্ট ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ফোন করি। খুনিরা বাড়ির সব টিএন্ডটি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল খুকুর শোবার ঘরের ফোনটির কথা তারা জানতো না। রিং হতে ওপাশ থেকে একটি কণ্ঠ সেদিন উর্দুতে জবাব দিয়েছেলো ‘‘হ্যালো আপ কৌন হ্যায় (আপনি কে)?" উত্তরে বলেছিলাম “শেখ কামালের বন্ধু”। কণ্ঠটি তখন বলে উঠেছিলো “বহুত আচ্ছা, আপ কাহা সে” (খুব ভালো, আপনি কোথা থেকে বলছেন)। বঙ্গভবন থেকে পরিস্থিতি কি জিজ্ঞেস করতে উত্তর আসলো “বহুত আচ্ছা, সাব খুশি মানা রাহা হ্যায়’’ (খুব ভালো, সবাই আনন্দ করছে)। এই পরিস্থিতিতে খুশির কারণ জানতে চাইলে ওপাশ থেকে "বাঙালি বলে গালমন্দ করে ফোন কেটে দিলো।"
’৭৫ এর ১৫ আগস্ট ভোরে বঙ্গবন্ধু সপরিবার নিহত হওয়ার পর ৩২ নম্বর বাড়ির একটি মাত্র সচল ফোনে সেদিন সকাল ৭টায় করা ফোন কল, কথোপকথন এবং মুশতাক সরকারের শপথ গ্রহণের আগে ও সেদিন রাতে বঙ্গভবনে খুনিদের উল্লাসের চিত্র চ্যানেল আই অনলাইনের কাছে তুলে ধরেছেন সেসময়ের বঙ্গভবনের তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালনকারী মোহাম্মদ মুসা।

এদের চিনুন

মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি ও পাকিস্তানের দোসররা যা বলেছে ও করেছে


এপ্রিল ১৯৭১

বাংলায় আর্কাইভ সমুহ

বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ

বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ
নভেম্বর ১৯৭০
১৬ নভেম্বর দি গার্ডিয়ান খাদ্য, বন্যা এবং দুর্ভিক্ষের দেশ
২৮ নভেম্বর দি ইকোনমিস্ট সমস্যাটা কোথায়?
২৯ নভেম্বর দি টাইমস ঘূর্ণিঝড়-দুর্গতদের এক বছরের সাহায্য প্রয়োজন
ডিসেম্বর ১৯৭০
৫ ডিসেম্বর দি অবজারভার তারা ইদানীং দাড়িওয়ালাদের দেখে নিচ্ছে
৯ ডিসেম্বর দি টাইমস পাকিস্তানের নির্বাচন মি. ভুট্টোকে পশ্চিমে নেতৃত্ব আনছে এবং পূর্বে শেখ মুজিবুরকে বিজয়ী করছে
৯ ডিসেম্বর দি টাইমস নতুন দু-জন মুকুটহীন রাজা
জানুয়ারী ১৯৭১
১৫ই জানুয়ারী দি টাইমস পাকিস্তানে সহিংসতা ও বিচ্ছিন্নতার দৃশ্যপট
ফেব্রুয়ারী ১৯৭১
২০শে ফেব্রুয়ারী দি টাইমস বাংলার সঙ্কটকাল
২৮শে ফেব্রুয়ারী দি টাইমস পাকিস্তান ভাঙ্গনের মুখোমুখি
মার্চ ১৯৭১
৬ই মার্চ দি টাইমস পূর্ব পাকিস্তানের নেতা স্বাধীনতা ঘোষণা করতে পারেন
৭ই মার্চ দি অবজারভার পাকিস্তান: ভাঙ্গন রোধে ইয়াহিয়া সেনাবাহিনী ব্যবহার করবেন
৮ই মার্চ দি টাইমস ৭ই মার্চের ভাষণের পরে
১০ই মার্চ দি টেলিগ্রাফ পুরনো পাকিস্তানের সমাপ্তি
১০ই মার্চ দি টাইমস টুকরো হয়ে যাবার আশংকা, পাকিস্তানের স্বপ্ন ছিন্নভিন্ন
১২ই মার্চ দি গার্ডিয়ান পূর্ব পাকিস্তান ক্ষমতা দেখাচ্ছে
১২ই মার্চ নিউ স্টেটসম্যান বিভক্ত পাকিস্তান
১৩ই মার্চ দি গার্ডিয়ান মুজিব ইয়াহিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি
১৩ই মার্চ দি ইকোনমিস্ট প্রান্তসীমায় টলমল
১৬ই মার্চ দি গার্ডিয়ান ইয়াহিয়া মেশিনগান-প্রহরায় ঢাকায় উপস্থিত হয়েছেন
২০শে মার্চ দি টাইমস ইয়াহিয়ার সঙ্গে আলোচনা: সংকট উত্তরণের আভাস
জুন ১৯৭১
২রা জুন দি টাইমস যুদ্ধ শুরু হয়েছে
২রা জুন দি টাইমস বাঙালি বিদ্রোহীরা ঢাকায় নৃশংসতার প্রমাণাদি জাতিসংঘে পাঠাচ্ছেন
৪ঠা জুন নিউ স্টেটসম্যান সূর্যের নিচে মৃতের সারি
৪ঠা জুন দি টাইমস পূর্ব-পাকিস্তানের অপরাধীদের ও ধ্বংসযজ্ঞের ওপর গোপন ক্যাটালগ
৫ই জুন দি গার্ডিয়ান ভোগান্তির উদ্দেশ্যে যাত্রা
৫ই জুন দি গার্ডিয়ান ইয়াহিয়ার শিকার শেষ কয়েক লক্ষ
৬ই জুন দি টাইমস বাংলায় মহামারি
১২ই জুন দি ডেইলি টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ নতুন আক্রমণের পরিকল্পনা করছে
১২ই জুন দি ইকোনমিস্ট কীসের জন্য তারা পালিয়ে গেল?
১৩ই জুন দি সানডে টাইমস গণহত্যা: এ্যান্থনি মাসকারেনহাস
১৩ই জুন দি টাইমস উত্তাপ থেকে বেরিয়ে আসা সত্যবক্তা
১৩ই জুন দি সানডে টাইমস সম্পাদকীয়: হত্যা বন্ধ কর
১৩ই জুন দি অবজারভার লাখ লাখ মানুষের যাত্রা
২০শে জুন দি সানডে টাইমস পাকিস্তানে গণহত্যা
জুলাই ১৯৭১
১১ই জুলাই দি সানডে টাইমস বাংলায় আগ্রাসন: আমাদের অবশ্যই যা করতে হবে
১১ই জুলাই দি সানডে টাইমস হিংস্রতা ও গোঁড়ামির শাসন
১৩ই জুলাই দি টাইমস ভারতীয় উপমহাদেশে যুদ্ধের ছায়া
ইংরেজীতে পত্রিকার রিপোর্ট এখানে

Photo Gallery :



Sector Commander Major Khaled Mosharraf accompanied the Acting President Syed Nazrul Islam while inspecting sector-2 (Noakhali-Comilla). He is the renowned Major who commanded the force, fought gallantly and was wounded seriously and defeated Pakistani Forces in every front.
A Pakistani soldier is examining a man’s genital in broad daylight in 1971 in a street of Dhaka to ascertain his religious entity. Those found to be non-Muslims or doubted to be true Muslims were taken to the torture and interrogation cells. More than fifty million young and elders all over the country were subjected to this harassment, embarrassment and undignified assault on their person in open broad day light in all places--market or offices or school-college or club or street or any other public places.

বীর বিক্রম

(বাংলাদেশ সরকারেরপ্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গেজেট নোটিফিকেশন নম্বর ৮/২৫/ডি-১/৭২-১৩৭৮ তারিখ ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩-এ এই তালিকা প্রকাশিত হয়।)

বীর উত্তম


বীর উত্তমদের নামের তালিকা

শহীদ বীরদের নামের পাশে তারকা (*) চিহ্ন উল্লেখ করা হলো।

বীর শ্রেষ্ঠ

বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদান করা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পদক। এ পর্যন্ত সাত জনকে এই পদক দেয়া হয়েছে, যাদের সবাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শহীদ হয়েছেন।
বীরশ্রেশ্ঠদের একটি তালিকা নিম্নে দেয়া হল :-
ক্রম নাম সেক্টর পদবী
০১ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর সেনা বাহিনী ক্যাপ্টেন
০২ হামিদুর রহমান সেনা বাহিনী সিপাই
০৩ মোস্তফা কামাল সেনা বাহিনী সিপাই
০৪ মোহাম্মদ রুহুল আমিন নৌ বাহিনী আর্টিফিসার
০৫ মতিউর রহমান বিমান বাহিনী ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট
০৬ মুন্সি আব্দুর রউফ সেনা বাহিনী ল্যান্স নায়েক
০৭ নূর মোহাম্মদ শেখ সেনা বাহিনী ল্যান্স নায়েক

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর

র১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র ভূখন্ডকে বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।

জাসদই বঙ্গবন্ধুর হত্যার পথ পরিষ্কার করেছিল

জাসদই বঙ্গবন্ধু হত্যার পথ পরিষ্কার করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ ও নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মুজিবনগর

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার -এর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয় কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমা (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলার অন্তর্গত ভবেরপাড়া আম্রকাননে (বর্তমান মুজিবনগর) গ্রামে। শেখ মুজিবুর রহমান এর অনুপস্থিতিতে তাকে রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠন করা হয়। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দ্বায়িত্ব নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পিত হয় তাজউদ্দীন আহমদ এর উপর। বাংলাদেশের প্রথম সরকার দেশী-বিদেশী সাংবাদিকের সামনে শপথ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করে। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে ২৬ মার্চ হতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা হয়। বাঙালী জাতির জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
^উপরে যেতে ক্লিক করুন