বঙ্গবন্ধু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বঙ্গবন্ধু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

ভাষা আন্দোলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বিশেষ অবদান রয়েছে

বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করলেন মক্কা শরিফের ইমাম ড. শায়েখ ফাতহি

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:১৪:০০ পিএম শুক্রবার

ইসলাম ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

x

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Decrease font Enlarge font
টুঙ্গীপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন পবিত্র মক্কা শরিফের সম্মানিত ইমাম ও খতিব ডক্টর শায়েখ ফাতহি বিন মোহাম্মাদ বিন বশির আল ফাজানি।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ১০টা ৪১ মিনিটে বঙ্গন্ধুর কবর জিয়ারত করেন তিনি। মাজার জিয়ারতে যেয়ে মক্কার খতিব ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। পরে সংরক্ষিত পরিদর্শন খাতায় অভিমত লেখেন।

মাজার পরিদর্শনের সময় মক্কার খতিবের সঙ্গে ছিলেন, গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মহাপরিচালক ও গওহরডাঙ্গা কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আল্লামা মুফতি রুহল আমিন, টুঙ্গীপাড়া পৌরসভার মেয়র শেখ আহম্মদ হোসেন মির্জ্জা, সাবেক মেয়র ইলিয়াস হোসেন সরদার, মুফতি উসামা আমিন ও হাফেজ মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় ধর্মীয় নেতারা।

খতিব শায়েখ ফাতহি মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করবেন।

টুঙ্গীপাড়া সফরকালে খতিব ফাতহি দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে পথচলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৩১৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৬
এমএ/

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য


—————————————————————-
১। বঙ্গবন্ধু উপাধি> ২৩ফেব্রু ১৯৬৯সালে। তোফায়েল আহমেদ। রেসকোর্স ময়দানে।
২। জাতির জনক> ৩মার্চ ১৯৭১। আ, স, আব্দুর রব। পল্টন ময়দানে
৩। রাজনীতির কবি(Poet of politics) > ৫ এপ্রিল ১৯৭২ সালে মার্কিন সাময়িকী> ‘নিউজ উইক‘ ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধুর উপর একটি কভার স্টোরি করে।
৪। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি >> ২৬শে মার্চ ২০০৪ বিবিসির শ্রোতা জরিপে ২০তম সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় স্থান। ১৪এপ্রিল ২০০৮ সর্বকালের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
৫। পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি>৮জানু, ১৯৭২।

ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যাতত্ত্ব



ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ

একাত্তরের ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে সম্প্রতি অঙ্ক কষতে বসেছেন বাংলাদেশের একদল অঙ্কবিদ। অন্যদিকে একদল নিরপেক্ষ গবেষক এ সংখ্যা নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ গবেষণার দাবি তুলেছেন। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষশক্তির রাজনীতিবিদরা নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত্ নিয়ে যত না সংশয় প্রকাশ করছেন, তার চেয়ে বেশি সংশয় প্রকাশ করছেন এই ‘ত্রিশ লক্ষ’ সংখ্যাটি নিয়ে। আবার জনৈক ‘দেশ-জামাই’ ব্লগার ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যার খেলা নিয়ে ‘ব্লগাইতে ব্লগাইতে’ নিজের দেশ, জাতি এবং ‘ধর্ম’ ত্যাগ করে এখন পাগলপ্রায়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সা কা চৌধুরী তো দেশ, জাতি এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে চট্টগ্রামবাসীর কাছে মৃত্যুর আগে শেষ ইচ্ছে হিসেবে ত্রিশ লক্ষ শহীদের ডেথ সার্টিফিকেটগুলো দেখতে চেয়েছিলেন। আর হাজার মাইল দূরের পাকিস্তান রাষ্ট্রটি ত্রিশ লক্ষ শহীদ তো দূরের কথা, একজনও শহীদ হননি বলে ফতোয়া দিয়ে বসে আছে।

ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ্যা নাকি বাস্তবতা ?

ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ?
*********************************
একাত্তর সালে পাকিস্তানের জঙ্গি সদরে রিয়াসৎ জেনারেল ইয়াহিয়া খান সদম্ভে কইছিলেন, “ওদের ত্রিশ লক্ষ হত্যা কর, বাকীরা আমাদের থাবার মধ্যে থেকেই নিঃশেষ হবে।” (১)
কিছু বিতর্ক আছে ইচ্ছা কৈরা টিকায় রাখা হয়। আসলে বিতর্ক ফিতর্ক কিছু নাই, হুদাহুদি একটা গ্যানজাম লাগায় রাখন আর কি। স্বাধীনতার ৩৫ বছর পরেও একখান বিতর্ক ইদানিংকালে নয়া পাকিপ্রেমী রাজাকার-আলবদর গো মৈদ্দে দানা বাঁধছে আর তা হৈল, মুক্তিযুদ্ধে নাকি ত্রিশ লক্ষ লোক শহীদ হয় নাই, ব্যাপারটি নাকি হুদাই চাপাবাজি।

৬০ বছর বঙ্গবন্ধুর সাইকেলটি আগলে রেখেছেন তিনি


Mahfujur, Rajbari news (2) ১৯৭২ সালে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে আবদুল ওয়াজেদ মন্ডলকে প্রথম দেখাতেই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সেই সাইকেলটি কোথায়? আমি মরে গেলে বাইসাইকেলটি জাদুঘরে দিয়ে দিস।’ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনও জানতেন না তার ব্যবহৃত সেই সাইকেলটি সযত্নে রেখেছেন ওয়াজেদ। প্রশ্নের জবাবে ওয়াজেদ বলেন, সাইকেলটি তার কাছেই আছে। সাইকেলটি ফেরত না দিয়ে নিজের কাছে রাখার আবদার করেছিলেন। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর সেই সাইকেলটি আগলে রেখেছেন ওয়াজেদ। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত সেই বাইসাইকেলটি এখন তিনি জাদুঘরে দিতে চান।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের মৃত ওমেদ আলী মন্ডলের ছেলে আবদুল ওয়াজেদ মন্ডল। যখন বঙ্গবন্ধু তার সাইকেলটি ব্যবহার করেছিলেন তখন তিনি ছিলেন ১৫ বছরের কিশোর। এখন তার বয়স ৭৫ বছর। তার এক ছেলে ও তিন মেয়ে। তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান বকুল তাদের যেটুকু জমি আছে তা চাষাবাদ করে সংসার চলে। ওয়াজেদ মন্ডলের স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেসার নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।

ঘৃণা জানাতে খন্দকার মুশতাকের বাড়ির পথে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা


চ্যানেল আই অনলাইন
আবুল কাশেম হৃদয়
১৬ অগাস্ট ২০১৫, ১৭:০৯
ঘৃণা জানাতে খন্দকার মুশতাকের বাড়ির পথে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কুমিল্লার দাউদকান্দির দশপাড়া গ্রামে খন্দকার মুশতাকের বাড়ির দিকে যাত্রা করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। দাউদকান্দির শহীদ নগরের ট্রমা সেন্টারের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়।
দশপাড়া গ্রামে খন্দকার মুশতাকের বাড়িটি ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে খন্দকার মুশতাকের প্রতি নিন্দা জানাতে তার বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেন দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আলী সুমন। বিকাল ৪ টায় খন্দকার মুশতাকের বাড়ি ঘেরাওয়ের উদ্দেশে যাত্রার ঘোষণা দেয়া হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুপুর থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য খন্দকার মুশতাকের বাড়িটি ঘেরাও করে রেখেছে। দশপাড়া গ্রামের প্রবেশ পথে পুলিশ কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না।
দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ সুমন কুমিল্লার সংসদ সদস্য মে. জে. (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গভবনে খুনিদের যতো কাণ্ডকীর্তি

১৪ অগাস্ট ২০১৫, ২৩:০৭ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গভবনে খুনিদের যতো কাণ্ডকীর্তি
‘১৫ আগস্ট ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ফোন করি। খুনিরা বাড়ির সব টিএন্ডটি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল খুকুর শোবার ঘরের ফোনটির কথা তারা জানতো না। রিং হতে ওপাশ থেকে একটি কণ্ঠ সেদিন উর্দুতে জবাব দিয়েছেলো ‘‘হ্যালো আপ কৌন হ্যায় (আপনি কে)?" উত্তরে বলেছিলাম “শেখ কামালের বন্ধু”। কণ্ঠটি তখন বলে উঠেছিলো “বহুত আচ্ছা, আপ কাহা সে” (খুব ভালো, আপনি কোথা থেকে বলছেন)। বঙ্গভবন থেকে পরিস্থিতি কি জিজ্ঞেস করতে উত্তর আসলো “বহুত আচ্ছা, সাব খুশি মানা রাহা হ্যায়’’ (খুব ভালো, সবাই আনন্দ করছে)। এই পরিস্থিতিতে খুশির কারণ জানতে চাইলে ওপাশ থেকে "বাঙালি বলে গালমন্দ করে ফোন কেটে দিলো।"
’৭৫ এর ১৫ আগস্ট ভোরে বঙ্গবন্ধু সপরিবার নিহত হওয়ার পর ৩২ নম্বর বাড়ির একটি মাত্র সচল ফোনে সেদিন সকাল ৭টায় করা ফোন কল, কথোপকথন এবং মুশতাক সরকারের শপথ গ্রহণের আগে ও সেদিন রাতে বঙ্গভবনে খুনিদের উল্লাসের চিত্র চ্যানেল আই অনলাইনের কাছে তুলে ধরেছেন সেসময়ের বঙ্গভবনের তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালনকারী মোহাম্মদ মুসা।

জাসদই বঙ্গবন্ধুর হত্যার পথ পরিষ্কার করেছিল

জাসদই বঙ্গবন্ধু হত্যার পথ পরিষ্কার করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ ও নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মুজিবনগর

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার -এর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয় কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমা (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলার অন্তর্গত ভবেরপাড়া আম্রকাননে (বর্তমান মুজিবনগর) গ্রামে। শেখ মুজিবুর রহমান এর অনুপস্থিতিতে তাকে রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠন করা হয়। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দ্বায়িত্ব নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পিত হয় তাজউদ্দীন আহমদ এর উপর। বাংলাদেশের প্রথম সরকার দেশী-বিদেশী সাংবাদিকের সামনে শপথ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করে। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে ২৬ মার্চ হতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা হয়। বাঙালী জাতির জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

‘ কেমন করে দেশ চালাব? উপর থেকে নীচে নামতেই ৫০০ টাকা নেই’। জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।



১৯৭২সালের পরবর্তী কোন এক সময়ের ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর একজন স্কুল শিক্ষক ঢাকায় এসেছেন তাঁর সাথে দেখা করতে ।৩২নং বাড়ীতে যখন পৌছেন তখন বঙ্গবন্ধু দোতালায় অবস্থান করছেন এবং বাইরে বের হবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শিক্ষকের আগমনের সংবাদ পেয়ে বঙ্গবন্ধু নিচে নেমে আসেন এবং তাকে কদমবুসি করে কুসলাদি জিজ্ঞেস করেন। এতদিন পরও ছাত্র মুজিব তাকে চিনতে পেরেছ দেখে খুশি হলেন। বঙ্গবন্ধূ তাকে ২/৪ দিন থেকে যাবার জন্য অনুরোধ করলেন। ওস্তাদ বললেন বেড়াবার মতন সময় নেই। ২/৩ দিন হয় বাড়ী থেকে এসেছি কিন্তু তুমি তো ভীষণ ব্যস্ত তাই দেখা করতে পারিনি। আমি আজই চলে যাব।শুধু তোমাকে একটু দেখতে এলাম।তুমি বঙ্গবন্ধু হয়েছো দেশের প্রধানমন্ত্রী , এতেই আমি খূশি। বঙ্গবন্ধু বললেন এসেই চলে যাবেন তা কি করে হয়? অন্তত: একটু বসে চা পানি খেয়ে যান। আমার একটু তাড়া আছে। আমি এখনই বেরুবো। এভাবে কিছু সময় কথা বলেন বঙ্গবন্ধু উপরে চলে গেলেন।

পঁচাত্তরের পর থেকে জন্মদিন পালন করি না

পুরো নাম আকবর হোসেন পাঠান দুলু। বাংলা চলচ্চিত্রে যিনি ফারুক নামেই অধিক পরিচিত। ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু। সত্তর ও আশির দশকে গ্রামীণ প্রেক্ষাপটের ছবিতে অভিনয় করে হয়ে উঠেন জনপ্রিয় মুখ। চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অনেক আগে থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওঠা বসা তার। ছয় দফা আন্দোলনে যুক্ত থাকার দায়ে ৩৭টি মামলাও ছিলো তার নামে। তাই অভিনয়ে বাইরে তিনি একজন রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্নেহধন্য।

শেখ মুজিব জর্জ ওয়াশিংটন, মহাত্মা গান্ধীর চেয়ে বড় নেতা



ব্রিটিশ মানবাধিকার আন্দোলনের নেতা প্রয়াত লর্ড ফেনার ব্রকওয়ে একবার মন্তব্য করেছিলেন, ‘এক অর্থে, শেখ মুজিব (বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) জর্জ ওয়াশিংটন, মহাত্মা গান্ধী ও ডি ভ্যালেরার চেয়ে বড় নেতা।’
এ ছাড়া অন্য আরো বড় বড় ব্যক্তি আছেন, তারাও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। এর মধ্যে একজন হলেন- ভারতের মনিপুর ও ঝাড়খন্ড রাজ্যের সাবেক গভর্নর বেদ মারওয়া।

অ্যান্ড্রয়েডে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অ্যাপস


হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মিশে আছেন বাঙালি জাতির প্রতিটি মানুষের চেতনায়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর জীবন চর্চা বাঙালি জাতির অগ্রগামিতায় এখনও পথনির্দেশক হিসেবে অমলিন। ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবায়নের সাথে সাথে এখন দেশব্যাপী মানুষের হাতে ছড়িয়ে পড়ছে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট পিসির মতো ডিভাইস। এসব ডিভাইস ব্যবহারকারী তরুণ প্রজন্মের কাছেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে এবং তাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চর্চা অব্যাহত রাখতে এর মধ্যেই তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট অ্যাপস। জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ তৈরির উদ্যোগের সাথে সাথে আইসিটি বিভাগ তো বটেই, আগ্রহী তরুণ ও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোও নিজ উদ্যোগে তৈরি করেছেন নানা ধরনের অ্যাপস। এই লেখায় অ্যান্ড্রয়েডের জন্য এমন কিছু অ্যাপসের কথা তুলে ধরছেন সানজিদা সুলতানা

বঙ্গবন্ধু তার সময়ে দুজন ইসলাম অবমাননাকারীকে দেশ থেকে বের করে দেন।



আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত যত নির্বাচন করেছে প্রতিটি নির্বাচনী মেনিফেস্টোয় কোরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন না করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে এবং এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন প্রণয়নের অভিযোগ ওলামা-মাশায়েখরা উত্থাপন করতে পারেননি। আওয়ামী লীগ ধর্ম নিয়ে অতিগোঁড়ামি করা যেমন পছন্দ করেনি আবার ধর্মকে নিয়ে খেলতামাশাও সহ্য করেনি। আশা করি এবারো করবে না।

বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী রাজনীতি ও সম্প্রতিক প্রসঙ্গ

আনিস সাবেত: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ নাম দু’টোই ছিল নিষিদ্ধ। এমনকি ভারতের দেশ পত্রিকায় অন্নদা শংকর রায়ের ‘কাঁদো বাঙ্গালি, কাঁদো’ শিরোনামে লেখাটা পর্যন্ত ছাপা হয়নি! গত চুয়াল্লিশ বছরের ইতিহাসে অনেক চেঞ্জ হয়েছে এবং হচ্ছে, সংবিধানও কাঁটাছেড়া হয়েছে পনেরবার! কথা হচ্ছে এতোকিছুর পালাবদল, রদ-বদল সবই কিন্তু রাজনৈতিক এজেন্ডা বা স্বার্থসিদ্ধভূক্ত। সংস্কৃতির চোরা অলিগলিতেও রং বদলেছে যখন যে রকম মানাবে ঠিক তেমনটাই! মানে সরকারের রঙে রঙিন হওয়া টাইপ।

ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর যুগান্তকারী অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাক

॥ আতাউর রহমান ॥
ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০১৫ (বাসস) : সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রেখে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা ও জায়গা বরাদ্দ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গঠন, বিশ্ব ইজতেমার জমি বরাদ্দ, বাংলাদেশের ওআইসি সদস্য পদ লাভ এবং সউদী আরবে কম খরচে হজ যাত্রীদের পবিত্র হজ পালনের উদ্যোগ, মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ এবং বেতার ও টেলিভিশনে আল কুরআনের বাণী প্রচার করাসহ ইসলামী মূল্যবোধ প্রচার ও প্রসারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অবদান যুগে যুগে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে অভিমত রেখেছেন এদেশের ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষকরা। পৃথক সাক্ষাৎকারে তারা বাসসকে এ সব অভিমত জানান।

চলুন দেখি শেখ মুজিব কেন জাতীর পিতা,



জামায়াত ভক্তরা প্রায়শই”জাতির পিতা”ইস্যুতে জনগণকে বিভ্রান্ত করে থাকে। তাদের মতে – “আমরা মুসলিম, আর মুসলিম জাতির পিতাহলেন হযরত ইবরাহীম (আঃ),
বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির পিতা হতে পারেন না।”আসলেই কি তাই?চলুন ব্যবচ্ছেদ করি . . . জাতি বলতে কী বুঝায়?জাতি বলতে কোন একক অংশকে বুঝায় না।জাতির বহুরূপতা আছে।যেমনঃ দেশ জাতি,ভাষা জাতি,ধর্ম জাতি,বর্ণ জাতি,গোত্র জাতি, প্রভৃতি।আমরা এক এক জন মানুষ একই সাথেবহুজাতির মধ্যে অর্ন্তভুক্ত।যেমনঃ আমি দেশজাতি হিসেবে একজন বাংলাদেশি,ভাষা জাতি হিসেবে একজন বাঙ্গালি,ধর্ম জাতি হিসেবে একজন মুসলিম/হিন্দু,বর্ণ জাতি হিসেবে একজন শ্বেতাঙ্গ/ কৃষ্ণাঙ্গ ইত্যাদি।এত গুলোবিভাজিত জাতির মধ্যে যে যে অংশে যে নেতার অবদান সে সেঅংশে বা গন্ডিতে তিনিই জাতির পিতা।সে ক্ষেত্রে কেউ কারও স্ব স্ব অবস্থান ছেড়ে অন্যের অবস্থান কেরে নিতে যাবেন না।যে জাতিতে আমি মুসলিম সে জাতির

পিতার পিতা, জাতীর পিতা













তোমার জন্ম যদি না হতো
মায়ের ভাষা কোথায় যেতো।
মন খুলে মা ডাকতাম কারে
ভাবতে গেলে লোম শিউরে।
হে ক্ষণজন্মা সারা জীবন
তুমি জ্বলেছ ছাড়োনি পণ।
কত যাতনা নেই ঠিকানা
দুঃখের কথা জানে ক'জনা।
ফাঁসির মঞ্চ অকুতোভয়
জীবন দিয়ে দেশের জয়।
বজ্র কণ্ঠে বাজালে বীণ
শহীদ রক্তে দেশ স্বাধীন।
শুকিয়ে যাক সাগর নদী
থাকবে তুমি নিরবধি-।
প্রজন্ম বলে একটি কথা
পিতার পিতা জাতীর পিতা।
বুঝার যা-ই বুঝে নিয়েছি
দেশের কাজে হাত দিয়েছি।
হৃদয়ে তুমি চির অম্লান
শেখ মুজিবর রহমান
^উপরে যেতে ক্লিক করুন