মুক্তিযুদ্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মুক্তিযুদ্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যাতত্ত্ব



ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ

একাত্তরের ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে সম্প্রতি অঙ্ক কষতে বসেছেন বাংলাদেশের একদল অঙ্কবিদ। অন্যদিকে একদল নিরপেক্ষ গবেষক এ সংখ্যা নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ গবেষণার দাবি তুলেছেন। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষশক্তির রাজনীতিবিদরা নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত্ নিয়ে যত না সংশয় প্রকাশ করছেন, তার চেয়ে বেশি সংশয় প্রকাশ করছেন এই ‘ত্রিশ লক্ষ’ সংখ্যাটি নিয়ে। আবার জনৈক ‘দেশ-জামাই’ ব্লগার ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যার খেলা নিয়ে ‘ব্লগাইতে ব্লগাইতে’ নিজের দেশ, জাতি এবং ‘ধর্ম’ ত্যাগ করে এখন পাগলপ্রায়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সা কা চৌধুরী তো দেশ, জাতি এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে চট্টগ্রামবাসীর কাছে মৃত্যুর আগে শেষ ইচ্ছে হিসেবে ত্রিশ লক্ষ শহীদের ডেথ সার্টিফিকেটগুলো দেখতে চেয়েছিলেন। আর হাজার মাইল দূরের পাকিস্তান রাষ্ট্রটি ত্রিশ লক্ষ শহীদ তো দূরের কথা, একজনও শহীদ হননি বলে ফতোয়া দিয়ে বসে আছে।

ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ্যা নাকি বাস্তবতা ?

ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ?
*********************************
একাত্তর সালে পাকিস্তানের জঙ্গি সদরে রিয়াসৎ জেনারেল ইয়াহিয়া খান সদম্ভে কইছিলেন, “ওদের ত্রিশ লক্ষ হত্যা কর, বাকীরা আমাদের থাবার মধ্যে থেকেই নিঃশেষ হবে।” (১)
কিছু বিতর্ক আছে ইচ্ছা কৈরা টিকায় রাখা হয়। আসলে বিতর্ক ফিতর্ক কিছু নাই, হুদাহুদি একটা গ্যানজাম লাগায় রাখন আর কি। স্বাধীনতার ৩৫ বছর পরেও একখান বিতর্ক ইদানিংকালে নয়া পাকিপ্রেমী রাজাকার-আলবদর গো মৈদ্দে দানা বাঁধছে আর তা হৈল, মুক্তিযুদ্ধে নাকি ত্রিশ লক্ষ লোক শহীদ হয় নাই, ব্যাপারটি নাকি হুদাই চাপাবাজি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র ১৫ খন্ড একত্রে [PDF]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্র আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। পঁচিশে মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ হত্যা করে। গ্রেফতার করা হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙ্গালীর তৎকালীন প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। গ্রেফতারের পূর্বে ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরিকল্গপিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধযুদ্ধ; জীবন বাঁচাতে প্রায় ১ কোটি মানুষ পার্শ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙ্গালী সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে মুক্ত করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী।
গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে মুক্তিবাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর পতন আনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন পরিস্থিতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। অত:পর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরিভাবে জড়িয়ে পড়ে। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে ইতোমধ্যে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান ৯৩,০০০ হাজার সৈন্যসহ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এরই মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের অবসান হয়; প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙ্গালী জাতির প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ।
স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র ১৫ খন্ড একত্রে ডাউনলোড লিংকঃ

এদের চিনুন

মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি ও পাকিস্তানের দোসররা যা বলেছে ও করেছে


এপ্রিল ১৯৭১

বাংলায় আর্কাইভ সমুহ

বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ

বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ
নভেম্বর ১৯৭০
১৬ নভেম্বর দি গার্ডিয়ান খাদ্য, বন্যা এবং দুর্ভিক্ষের দেশ
২৮ নভেম্বর দি ইকোনমিস্ট সমস্যাটা কোথায়?
২৯ নভেম্বর দি টাইমস ঘূর্ণিঝড়-দুর্গতদের এক বছরের সাহায্য প্রয়োজন
ডিসেম্বর ১৯৭০
৫ ডিসেম্বর দি অবজারভার তারা ইদানীং দাড়িওয়ালাদের দেখে নিচ্ছে
৯ ডিসেম্বর দি টাইমস পাকিস্তানের নির্বাচন মি. ভুট্টোকে পশ্চিমে নেতৃত্ব আনছে এবং পূর্বে শেখ মুজিবুরকে বিজয়ী করছে
৯ ডিসেম্বর দি টাইমস নতুন দু-জন মুকুটহীন রাজা
জানুয়ারী ১৯৭১
১৫ই জানুয়ারী দি টাইমস পাকিস্তানে সহিংসতা ও বিচ্ছিন্নতার দৃশ্যপট
ফেব্রুয়ারী ১৯৭১
২০শে ফেব্রুয়ারী দি টাইমস বাংলার সঙ্কটকাল
২৮শে ফেব্রুয়ারী দি টাইমস পাকিস্তান ভাঙ্গনের মুখোমুখি
মার্চ ১৯৭১
৬ই মার্চ দি টাইমস পূর্ব পাকিস্তানের নেতা স্বাধীনতা ঘোষণা করতে পারেন
৭ই মার্চ দি অবজারভার পাকিস্তান: ভাঙ্গন রোধে ইয়াহিয়া সেনাবাহিনী ব্যবহার করবেন
৮ই মার্চ দি টাইমস ৭ই মার্চের ভাষণের পরে
১০ই মার্চ দি টেলিগ্রাফ পুরনো পাকিস্তানের সমাপ্তি
১০ই মার্চ দি টাইমস টুকরো হয়ে যাবার আশংকা, পাকিস্তানের স্বপ্ন ছিন্নভিন্ন
১২ই মার্চ দি গার্ডিয়ান পূর্ব পাকিস্তান ক্ষমতা দেখাচ্ছে
১২ই মার্চ নিউ স্টেটসম্যান বিভক্ত পাকিস্তান
১৩ই মার্চ দি গার্ডিয়ান মুজিব ইয়াহিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি
১৩ই মার্চ দি ইকোনমিস্ট প্রান্তসীমায় টলমল
১৬ই মার্চ দি গার্ডিয়ান ইয়াহিয়া মেশিনগান-প্রহরায় ঢাকায় উপস্থিত হয়েছেন
২০শে মার্চ দি টাইমস ইয়াহিয়ার সঙ্গে আলোচনা: সংকট উত্তরণের আভাস
জুন ১৯৭১
২রা জুন দি টাইমস যুদ্ধ শুরু হয়েছে
২রা জুন দি টাইমস বাঙালি বিদ্রোহীরা ঢাকায় নৃশংসতার প্রমাণাদি জাতিসংঘে পাঠাচ্ছেন
৪ঠা জুন নিউ স্টেটসম্যান সূর্যের নিচে মৃতের সারি
৪ঠা জুন দি টাইমস পূর্ব-পাকিস্তানের অপরাধীদের ও ধ্বংসযজ্ঞের ওপর গোপন ক্যাটালগ
৫ই জুন দি গার্ডিয়ান ভোগান্তির উদ্দেশ্যে যাত্রা
৫ই জুন দি গার্ডিয়ান ইয়াহিয়ার শিকার শেষ কয়েক লক্ষ
৬ই জুন দি টাইমস বাংলায় মহামারি
১২ই জুন দি ডেইলি টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ নতুন আক্রমণের পরিকল্পনা করছে
১২ই জুন দি ইকোনমিস্ট কীসের জন্য তারা পালিয়ে গেল?
১৩ই জুন দি সানডে টাইমস গণহত্যা: এ্যান্থনি মাসকারেনহাস
১৩ই জুন দি টাইমস উত্তাপ থেকে বেরিয়ে আসা সত্যবক্তা
১৩ই জুন দি সানডে টাইমস সম্পাদকীয়: হত্যা বন্ধ কর
১৩ই জুন দি অবজারভার লাখ লাখ মানুষের যাত্রা
২০শে জুন দি সানডে টাইমস পাকিস্তানে গণহত্যা
জুলাই ১৯৭১
১১ই জুলাই দি সানডে টাইমস বাংলায় আগ্রাসন: আমাদের অবশ্যই যা করতে হবে
১১ই জুলাই দি সানডে টাইমস হিংস্রতা ও গোঁড়ামির শাসন
১৩ই জুলাই দি টাইমস ভারতীয় উপমহাদেশে যুদ্ধের ছায়া
ইংরেজীতে পত্রিকার রিপোর্ট এখানে

Photo Gallery :



Sector Commander Major Khaled Mosharraf accompanied the Acting President Syed Nazrul Islam while inspecting sector-2 (Noakhali-Comilla). He is the renowned Major who commanded the force, fought gallantly and was wounded seriously and defeated Pakistani Forces in every front.
A Pakistani soldier is examining a man’s genital in broad daylight in 1971 in a street of Dhaka to ascertain his religious entity. Those found to be non-Muslims or doubted to be true Muslims were taken to the torture and interrogation cells. More than fifty million young and elders all over the country were subjected to this harassment, embarrassment and undignified assault on their person in open broad day light in all places--market or offices or school-college or club or street or any other public places.

বীর বিক্রম

(বাংলাদেশ সরকারেরপ্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গেজেট নোটিফিকেশন নম্বর ৮/২৫/ডি-১/৭২-১৩৭৮ তারিখ ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩-এ এই তালিকা প্রকাশিত হয়।)

বীর উত্তম


বীর উত্তমদের নামের তালিকা

শহীদ বীরদের নামের পাশে তারকা (*) চিহ্ন উল্লেখ করা হলো।

বীর শ্রেষ্ঠ

বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদান করা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পদক। এ পর্যন্ত সাত জনকে এই পদক দেয়া হয়েছে, যাদের সবাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শহীদ হয়েছেন।
বীরশ্রেশ্ঠদের একটি তালিকা নিম্নে দেয়া হল :-
ক্রম নাম সেক্টর পদবী
০১ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর সেনা বাহিনী ক্যাপ্টেন
০২ হামিদুর রহমান সেনা বাহিনী সিপাই
০৩ মোস্তফা কামাল সেনা বাহিনী সিপাই
০৪ মোহাম্মদ রুহুল আমিন নৌ বাহিনী আর্টিফিসার
০৫ মতিউর রহমান বিমান বাহিনী ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট
০৬ মুন্সি আব্দুর রউফ সেনা বাহিনী ল্যান্স নায়েক
০৭ নূর মোহাম্মদ শেখ সেনা বাহিনী ল্যান্স নায়েক

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর

র১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র ভূখন্ডকে বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।

মুজিবনগর

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার -এর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয় কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমা (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলার অন্তর্গত ভবেরপাড়া আম্রকাননে (বর্তমান মুজিবনগর) গ্রামে। শেখ মুজিবুর রহমান এর অনুপস্থিতিতে তাকে রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠন করা হয়। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দ্বায়িত্ব নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পিত হয় তাজউদ্দীন আহমদ এর উপর। বাংলাদেশের প্রথম সরকার দেশী-বিদেশী সাংবাদিকের সামনে শপথ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করে। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে ২৬ মার্চ হতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করা হয়। বাঙালী জাতির জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

১৯৭১ : পাকসেনাদের ধর্ষণ ও এর পরিণতি :: প্রতিদিন শত নারীর গর্ভপাত করিয়েছি : ডা. ডেভিস




মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি বড় অস্ত্র ছিল পাকিস্তানি সেনা কর্তৃক বাঙালি নারীদের ধর্ষণ। এর ফলে অনেক নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। জন্ম নেয় অনেক যুদ্ধশিশু। অনেক নারী বেছে নেন আত্মহত্যার পথ। অনেকে চেষ্টা চালান গর্ভপাত ঘটানোর। ধর্ষিতা নারীদের গর্ভপাত ঘটাতে চিকিৎসা সহায়তা দিতে ১৯৭২ সালে এগিয়ে আসেন অস্ট্রেলীয় চিকিৎসক ডা. জিওফ্রে ডেভিস। তিনি সে সময় দিনে ঢাকায় প্রায় একশ নারীর গর্ভপাতও ঘটিয়েছেন। ডা. জিওফ্রে ডেভিসের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অস্ট্রেলীয় ইতিহাস গবেষক ড. বিনা ডি কস্তা। তার ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন মেহেদী হাসান স্বাধীন।

জেলহত্যা দিবসের স্মৃতিকথা

জেলহত্যা দিবসের
স্মৃতিকথা .
১৯৭৫-এর ৩ নভেম্বর মানব সভ্যতার ইতিহাসকে ম্লান
করে কারাগারের
অন্ধকার প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতা– সৈয়দ
নজরুল ইসলাম,
তাজউদ্দীন আহমেদ, ক্যপ্টেন এম. মনসুর
আলী এবং এএইচএম
কামারুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। সেদিন
আমি
ময়মনসিংহ কারাগারে বন্দী।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বাসঘাতক কিছু নরপশু!


মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বাসঘাতক কিছু নরপশু!বাংলাদেশ প্রেস ডেস্ক || ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি নিধনযজ্ঞ শুরু হলে পাকিস্তানী হায়েনাদের সঙ্গে যোগ দেয় তাদের দোসর বাংলাদেশেরই কিছু বিশ্বাসঘাতক নরপশু। যাদেরকে পরবর্তীতে রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস্ প্রভৃতি নামে চিহ্নিত করা হয়। এদের মধ্যে একদিকে যেমন ছিল নিজামী, মুজাহিদের মতো বিকৃত মস্তিষ্কের কিছু দালাল, অন্যদিকে আবার ছিল কিছু শিক্ষক নামের কলঙ্ক, সমাজের (তথাকথিত) বুদ্ধিজীবী হিসাবে পরিচিত। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জড়িত ছিল পাকিস্তানী হায়েনাদের দালালিতে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষক এ সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে বিভিন্নভাবে সাহায্যে সহযোগিতাও করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১ অক্টোবর ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন মেয়াদে বাধ্যতামূলক ছুটি, চাকরি থেকে বরখাস্ত ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সমস্ত দালাল শিক্ষকের অনেকেই বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৬ ডিসেম্বরের পর ৩৫০, নাখালপাড়ায় আল-বদর বাহিনীর প্রধান আশরাফুজ্জামান খান যে বাড়িতে থাকত, সেখান থেকে তার ব্যক্তিগত ডায়েরিটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ডায়েরির দুটি পৃষ্ঠায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ জন বিশিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. গোলাম মূর্তজার নাম এবং তারা বিশ্ববিদ্যালয় কোয়ার্টারের কত নম্বর বাড়িতে থাকতেন তা লেখা ছিল। এ ২০ জনের মধ্যে মোট ৮ জন ১৪ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন। এরা হচ্ছেন-মুনীর চৌধুরী (বাংলা), ড. আবুল খায়ের (ইতিহাস), গিয়াসউদ্দিন আহমেদ (ইতিহাস), রশিদুল হাসান (ইংরেজি), ড. ফয়জুল মহী (শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউট) এবং ডা. মূর্তজা (চিকিৎসক)।

আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও!


আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও!| আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও!

খবরটা খবর হয়েছিলো চমকপ্রদ কারণে । বেইজিং অলিম্পিয়াড উপলক্ষ্যে নয়াদিল্লীতে অলিম্পিক মশাল আসার পরের ঘটনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেনা অফিসার মিডিয়াকে জানালেন ভারতের অন্যতম সেরা এক কমান্ডো ফোর্সের সদস্যদের নজরবন্দী রাখা হয়েছে। এমনকি একজনের সঙ্গে অন্যজনের কথাবলাও নিষেধ। সর্বশেষ এমন ঘটেছিলো ইন্দিরা গান্ধীর আমলে- অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে সেনা অভিযানের পর। ভারতীয় সেনাবাহিনীর শিখ সদস্যদের তখন চোখে চোখে রাখা হয়েছিলো। আর ২০০৮ সালে ঘটা এই ঘটনায় আলোচ্য ইউনিটটির নাম স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স (এসএফএফ)। মূলত চীনা সেনাবাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয়ে দেশপালানো উদ্বাস্তু তিব্বতীরাই এই বিশেষ বাহিনীর সদস্য। অলিম্পিক মশালের নিরাপত্তা দিতে একটি চীনা কমান্ডো ইউনিট ভারতে আসছে- এই খবরে তিব্বতীরা জাতীয়তাবোধে আক্রান্ত হয়ে কোনো দূর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই ওই নজরদারীর সিদ্ধান্ত।

"যে ৩৯ জন ঘাতকের নাগরীকত্ব বাতিল করেছিল বঙ্গবন্ধু সরকার"


"যে ৩৯ জন ঘাতকের নাগরীকত্ব বাতিল করেছিল বঙ্গবন্ধু সরকার"বাংলাদেশ প্রেস ডেস্ক || ১৯৭৩ সালের ১৮ এপ্রিল শেখ মুজিব সরকার দালালী এবং স্বাধীনতাবিরোধী ক্রিয়াকর্মের অভিযোগে যে ৩৯ জন ঘাতকের নাগরীকত্ব বাতিল করেন তাদের তালিকা :-

জেলহত্যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কিত অধ্যায়


জেলহত্যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কিত অধ্যায়বাংলাদেশ প্রেস ডেস্ক || সেই ভয়াল-বীভৎস ৩ নভেম্বর। বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেক কলঙ্কিত দিন রক্তক্ষরা জেলহত্যা দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের যে কয়টি দিন চিরকাল কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, তার একটি ৩ নভেম্বর। যে কয়েকটি ঘটনা বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত অর্জনের পথে বাধা তৈরি করেছে, তার মধ্যে অন্যতমটি ঘটেছিল ১৯৭৫ সালের এই দিনে।

জাতীয় চার নেতার সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত


জাতীয় চার নেতার সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত খোরশেদ আলম ||
সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মোহাম্মদ মনসুর এবং কামারুজ্জামান এই চারটি নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে উজ্জল নক্ষত্রসম। এই চারজনকে ছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা হয়তো সম্ভব না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেক মুজিবুর রহমানের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ১৯৭১ এ স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য অপরিসীম ভূমিকা রেখেছেন এই চারজন।

বাঙালি জাতি আজো এই চার মহান নেতাকে জাতীয় চার নেতা হিসেবে চেনে। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারের অভ্যন্তরে ঘাতকের ব্রাশ ফায়ারে নিহত হওয়া চার মহান নেতা হত্যা মামলার রায় দেয়া হয়েছে আজ মঙ্গলবার। স্বাধীন বাংলাদেশের এই চার সূর্যসন্তানদের জীবনী নিচে তুলে ধরা হলো।

বাংলাদেশের অভ্যুদয়পর্বে জাতিসংঘের ভূমিকা

Convert JPG to PDF online - convert-jpg-to-pdf.net
^উপরে যেতে ক্লিক করুন