কোষ্ঠকাঠিন্য
হচ্ছে নিয়মিত মলত্যাগের পরিবর্তে অনিয়মিত কিংবা কষ্টকর পায়খানা বা
মলত্যাগ করা। পায়খানা পরিষ্কার হওয়ার জন্য খাদ্যাভ্যাস একটি প্রধান বিষয়।
পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ জাতীয় বা সেলুলোজ জাতীয় খাবার খেলে পায়খানার পরিমাণ ও গঠন ঠিক থাকে এবং পায়খানা পরিষ্কার হয়। ফলমূল, শাকসবজি, আটার রুটি, ঢেঁকিছাঁটা চাল ইত্যাদি সেলুলোজ বা আঁশ জাতীয় খাবার অতি সহজেই জোগাড় করা সম্ভব।
নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ এসব খাবার খেলে পায়খানা শক্ত এবং কষ্টকর হওয়ার কথা নয়। তবে আধুনিক সভ্যতা আমাদের এখন ঢেঁকিছাঁটা চালের বদলে মেশিনে ছাঁটা ধবধবে সাদা চাল, আটার বদলে ময়দা, আম, জাম, কাঁঠালের পরিবর্তে জ্যাম-জেলি ইত্যাদি মিহি খাবার এবং শাকসবজির পরিবর্তে মাছ, গোশত, ডিম, দুধের প্রাধান্য উপহার দিয়েছে। চিজ, বাটার, আইসক্রিম, জ্যাম, জেলি, চকোলেট এবং মাছ, গোশত, চর্বি ও শর্করাপ্রধান আধুনিক খাদ্যকে এখন জাংক ফুড বলা হচ্ছে।
সত্যিকার অর্থে আমরা প্রকৃতিজাত স্বাভাবিক খাবার-দাবার থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণেই বহুবিধ সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্য তার অন্যতম। খাবারের সাথে প্রচুর পানি পান করলে পায়খানা শক্ত হতে পারে না। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে অনেকেই সচেতন নই। কোনো রকম পিপাসা মেটাতে পারলেই আমরা বেঁচে যাই। অনেকে আবার পানি খেয়ে বারবার প্রস্রাব করার ঝামেলা এড়াতে পানি কম খান। পানি পানের স্বল্পতাও কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্ম দিতে পারে।
শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাবেও কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে। গ্রাম-গঞ্জের লোকেরা মাঠে-ঘাটে কাজ করে। ফলে তাদের মধ্যে কোষ্ঠবদ্ধতার লক্ষণ অনেক কম। অন্য দিকে শহুরে চাকরিজীবী, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী শ্রেণীর মধ্যে কোষ্ঠবদ্ধতা এখন একটি প্রধান সমস্যা। কারণ তাদের শারীরিক পরিশ্রমের অভাব।
পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ জাতীয় বা সেলুলোজ জাতীয় খাবার খেলে পায়খানার পরিমাণ ও গঠন ঠিক থাকে এবং পায়খানা পরিষ্কার হয়। ফলমূল, শাকসবজি, আটার রুটি, ঢেঁকিছাঁটা চাল ইত্যাদি সেলুলোজ বা আঁশ জাতীয় খাবার অতি সহজেই জোগাড় করা সম্ভব।
নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ এসব খাবার খেলে পায়খানা শক্ত এবং কষ্টকর হওয়ার কথা নয়। তবে আধুনিক সভ্যতা আমাদের এখন ঢেঁকিছাঁটা চালের বদলে মেশিনে ছাঁটা ধবধবে সাদা চাল, আটার বদলে ময়দা, আম, জাম, কাঁঠালের পরিবর্তে জ্যাম-জেলি ইত্যাদি মিহি খাবার এবং শাকসবজির পরিবর্তে মাছ, গোশত, ডিম, দুধের প্রাধান্য উপহার দিয়েছে। চিজ, বাটার, আইসক্রিম, জ্যাম, জেলি, চকোলেট এবং মাছ, গোশত, চর্বি ও শর্করাপ্রধান আধুনিক খাদ্যকে এখন জাংক ফুড বলা হচ্ছে।
সত্যিকার অর্থে আমরা প্রকৃতিজাত স্বাভাবিক খাবার-দাবার থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণেই বহুবিধ সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্য তার অন্যতম। খাবারের সাথে প্রচুর পানি পান করলে পায়খানা শক্ত হতে পারে না। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে অনেকেই সচেতন নই। কোনো রকম পিপাসা মেটাতে পারলেই আমরা বেঁচে যাই। অনেকে আবার পানি খেয়ে বারবার প্রস্রাব করার ঝামেলা এড়াতে পানি কম খান। পানি পানের স্বল্পতাও কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্ম দিতে পারে।
শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাবেও কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে। গ্রাম-গঞ্জের লোকেরা মাঠে-ঘাটে কাজ করে। ফলে তাদের মধ্যে কোষ্ঠবদ্ধতার লক্ষণ অনেক কম। অন্য দিকে শহুরে চাকরিজীবী, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী শ্রেণীর মধ্যে কোষ্ঠবদ্ধতা এখন একটি প্রধান সমস্যা। কারণ তাদের শারীরিক পরিশ্রমের অভাব।