যেখানে
আমাদের
ওয়েবসাইট এর
পেজ
গুলো
থাকে,
সেটাই
হলো
ওয়েব
হোস্টিং। প্রতিটা ওয়েবসাইট অসংখ্য
পেজ
নিয়ে
তৈরি,
এই
পেজ
গুলো
থাকার
স্থানই
ওয়েব
হোস্ট
বা
ওয়েব
হোস্টিং নামে
পরিচিত। এই
স্থান
গুলো
হল
সার্ভার এর
হার্ডডিস্কের স্পেস
বা
স্থান। এই
সার্ভার কম্পিউটার গুলোই
বিশ্বের সবগুলো
ওয়েবসাইট এর
ডাটা
সংরক্ষণ করে
রাখে। এটা
কোনো
এক
জায়গা
বা
একটা
প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করে
না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন স্থানে
ডাটা
সেন্টার বা
সার্ভার সেন্টার বসিয়ে
ওয়েব
হোস্টিং সেবা
প্রদান
করে।
হোস্টিং নির্বাচনের আগে নিন্মোক্ত বিষয় গুলো বিবেচনায় রাখা আবশ্যকঃ
সার্ভার এর অপারেটিং সিস্টেমঃ
হোস্টিং সার্ভার গুলো
লিনাক্স কিমবা
উইন্ডোস সার্ভার অপারেটিং সিস্টেমের হতে
পারে।
ওয়েবসাইট এর
ফাংশনালিটি ও
কনফিগারেশনের উপর
হোস্ট
এর
অপারেটিং সিস্টেম ততটা
প্রভাব
ফেলে
না।
কিন্তু
উইন্ডোস সার্ভার অপারেটিং সিস্টেমের চাইতে
লিনাক্স সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম অত্যাধিক জনপ্রিয় এবং
বহুল
ব্যবহৃত। আর
তুলনামূলক সস্তাও
বটে।
তাই,
যদি
বাছাই
করে
হোস্টিং কিনতে
হয়,
তবে
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম হোস্টিং সার্ভার নেয়াই
ভালো।
ওয়েব হোস্টিং এর প্রকারভেদঃ
শেয়ারড,
ভিপিএস,
ডেডিকেটেড এই
তিন
রকমের
হোস্টিং বেশ
প্রচলিত। শেয়ারড
হোস্টিং এর
ক্ষেত্রে অনেকগুলো ওয়েবসাইট একটা
ওয়েব
সার্ভার এ
বিদ্যমান থাকে।
প্রতিটি ওয়েবসাইট এর
জন্য
সার্ভার এ
একটা
করে
স্বতন্ত্র ফোল্ডার থাকে,
যা
দ্বারা
প্রতিটি ওয়েবসাইট ঐ
সার্ভার এ
আলাদা
ভাবে
থাকে।
সবচেয়ে
কম
দামে
এই
হোস্টিং গুলোই
পাওয়া
যায়।
নতুন
যারা
হোস্টিং নিতে
চান
তাদের
জন্য
সাধারনত শেয়ারড
হোস্টিং সবচেয়ে
ভালো
অপশন।
কম
ভিজিটর
এর
ওয়েবসাইট এর
জন্য
এর
কোনো
বিকল্প
নেই।
সাধারনত শেয়ারড
হোস্টিং এর
সার্ভার যে
কোনো
ওয়েবসাইট এর
জন্য
৫০০০০
ভিজিটর
এর
চাপ
স্বাভাবিক ভাবে
নিতে
পারে।
আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ এর
শেয়ারড
হোস্টিং সবচেয়ে
বেশি
ভিজিটর
কে
সার্ভিস দিতে
পারে।
এই
ধরনের
শেয়ারড
হোস্টিং সার্ভার অনেক
বেশি
শক্তিশালী হয়।
হোস্ট
অর্থাৎ
সার্ভার কনফিগারেশনের উপর
ভিত্তি
করেই
কেবলমাত্র এটা
ঠিক
করা
যায়।
এর
চাইতে
বেশি
ভিজিটর
হলে
ভার্চুয়াল সার্ভার বা
ডেডিকেটেড ব্যবহার করতে
হবে
আপনাকে। ভার্চুয়াল সার্ভার বা
ভিপিএস
হল
ভার্চুয়াল মেশিন।
যদিও
এগুলো
ডেডিকেটেড অর্থাৎ
১
টা
ফিজিক্যাল সার্ভার এ
বিদ্যমান থাকে।
মূলকথা,
ডেডিকেটেড সার্ভার এর
কিছু
অংশ
নিয়ে
ভার্চুয়াল সার্ভার গুলো
তৈরি
হয়
যেগুলো
প্রায়
ডেডিকেটেড সার্ভার অর্থাৎ
ফিজিক্যাল সার্ভার এর
মতই
আচরণ
করে।
ওয়েবসাইট যদি
অত্যন্ত ভারী
আর
প্রচুর
ভিজিটর
আসার
মত
সামর্থ্যবান হয়,
তবে
ভিপিএস
বা
ডেডিকেটেড সার্ভারই ভরসা।
ডিস্ক স্পেসঃ
আপনার
ওয়েবসাইট এর
ডাটা
বা
জিনিসগুলো রাখার
জন্য
আপনি
কতটুকু
স্থান
পাচ্ছেন, সেটাই
হল
ডিস্ক
স্পেস।
সাধারণত ২০০
মেগাবাইট হোস্টিং হলেই
ছোট
একটি
ওয়েবসাইট এর
জন্য
যথেষ্ট
হয়।
কিন্তু
ডায়নামিক কিমবা
সিএমএস
বা
আরো
ভারী
ওয়েবসাইট হলে,
সেক্ষেত্রে ডিস্ক
স্পেস
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
শেয়ারড
হোস্টিং এ
অনেক
সময়
আন
লিমিটেড ডিস্ক
স্পেস
অফার
থাকে।
কিন্তু
বাস্তবে সেখানে
অনেক
নিয়ম-কানুন বা কন্ডিশন দেওয়া
থাকে।
তাই
আন
লিমিটেড ডিস্ক
স্পেস
অফারের
শেয়ারড
হোস্টিং বর্জন
করাই
ভালো।
তাছাড়া
আন
লিমিটেড ডিস্ক
স্পেস
অফারের
শেয়ারড
হোস্টিং এর
সার্ভার আপটাইম
ভালো
হয়
না।
আপনার
যদি
মনে
হয়,
আপনার
ওয়েবসাইট এ
অনেক
পেজ
বা
লেখা
থাকবে,
ওয়েবসাইট এ
অনেক
ডাটা
থাকবে
তবে
২
জিবি,
৫
জিবি
বা
১০
জিবি
হোস্টিং বেছে
নিতে
পারেন।
মুভি
ডাউনলোড বা
বড়
ফাইল
ডাউনলোড ভিত্তিক ওয়েবসাইট গুলোতে
সাধারণত আন
লিমিটেড হোস্টিং এর
প্রয়োজন হয়।
এসব
ক্ষেত্রে আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ থাকা
বাঞ্ছনীয়।
ব্যান্ডউইথঃ
আপনার ওয়েবসাইট এর
ভিজিটরের কম্পিউটার আর
ওয়েব
হোস্টিং সার্ভার এর
মধ্যে
কতটুকু
ডাটা
আদান
প্রদান
হতে
পারবে
তা
বোঝাতেই ব্যান্ডউইথ লিমিট
ব্যবহার করা
হয়।
ব্যাপারটা এমন,
আপনার
ওয়েবসাইট এর
একটা
পাতার
সাইজ
১০
কিলোবাইট। যখন
একজন
ভিজিটর
ঐ
পাতাটি
একবার
দেখেন,
তখন
আপনার
ব্যান্ডউইথ লিমিট
থেকে
১০
কিলোবাইট কাটা
যায়।
এটি
সাধারণত মাসের
হিসেবেই গননা
করা
হয়।
শুধু
পেজ
দেখলেই
নয়,
আপনি
যখন
কোনো
ফাইল
আপলোড
দিচ্ছেন, তখন
আপনার
ঐ
ফাইল
এর
সাইজ
এর
ব্যান্ডউইথ কাটা
হয়।
তাই
এই
ব্যান্ডউইথ লিমিট
এর
ঝামেলা
থেকে
বাচার
জন্য
আন
লিমিটেড ব্যান্ডউইথ সুবিধা
আছে
এমন
হোস্টিং বেছে
নেওয়া
উচিত।
হোস্টিং কি?
আপনার
ব্যক্তিগত কিমবা
ব্যবসার জন্য
একটি
ওয়েবসাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে আপনার
ওয়েবসাইট কে
প্রকাশ
করে
ইন্টারনেট ভিজিতর
দের
কাছে
আপনার
ওয়েবসাইট এর
তথ্য
গুলোকে
পৌঁছে
দেওয়ার
জন্য
হোস্টিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি
চাইলে
আপনার
ওয়েবসাইট আপনার
নিজের
কম্পিউটার থেকেও
হোস্ট
করতে
পারেন।
এক্ষেত্রে পুরো
ব্যপারটা অনেক
জটিল।
তাই
অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা
আমাদের
ওয়েবসাইট গুলোকে
বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানির সার্ভার এ
হোস্ট
করি।
বস্তুত
এটা
অনেকটা
সুবিধাজনক ও
অর্থ
সাশ্রয়ী।
হোস্টিং কোম্পানির কাছে আমাদের চাহিদা কি?
আমরা
কেন
হোস্টিং কোম্পানি গুলোতে
আমাদের
ওয়েবসাইট হোস্ট
করবো,
এ
প্রশ্নটার উত্তর
খুব
সহজ।
হোস্টিং কোম্পানি গুলো
অনেক
সস্তায়
হোস্টিং সার্ভিস প্রদান
করে।
কিন্তু
নিন্মমানের হোস্টিং সার্ভিস আপনার
ওয়েবসাইট এর
বারোটা
বাজাবে। তাই
শুধুমাত্র টাকার
কথা
চিন্তা
করে
কমদামী
হোস্টিং কোম্পানি থেকে
হোস্টিং সার্ভিস নেওয়া
উচিত
নয়।
- ১. কি ধরনের হোস্টিং সার্ভার থেকে হোস্টিং কোম্পানি আপনাকে হোস্টিং সার্ভিস দেবে তা আপনি শুরুতেই হোস্টিং কোম্পানি থেকে জেনে নিন।
- ২. হোস্টিং সার্ভার কথায় অবস্থিত, এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সাধারনত ইউএসএ, ইউকে, কানাডার সার্ভার গুলো উন্নত মানের হয়। তবে আজকাল সুইডেন, নরওয়ে এই সাব দেশের সার্ভার গুলোর পারফরমেন্স বেশ ভালো।
- ৩. সার্ভার এর আপ টাইম কেমন হবে মানে কত পারসেন্ট সার্ভার আপ টাইম পাওয়া যাবে সেই বিষয় এ নিশ্চিত হয়ে নিন। ১০০% সার্ভার এর আপটাইম কেউ দিতে পারে না। তবে ১০০% এর কাছাকাছি সার্ভার এর আপটাইম এর গ্যরান্টি যদি কোনো হোস্টিং কোম্পানি দেয়, তবে তাদের কাছ থেকে সব কথা বুঝে নিবেন।
- ৪. সার্ভার ব্যবহার এর ক্ষেত্রে আপলোড ও ডাউনলোড লিমিটেড নাকি আন লিমিটেড তা জেনে নিন।
- ৫. হোস্টিং কোম্পানি আপনাকে কি কি সার্ভিস ও সুবিধা দেবে তা বুঝে নেওয়ার চেস্টা করুন। আপনার নিজস্ব কোনো চাহিদা থাকলে তাদের কে আগে জানান।
- ৬. হোস্টিং নেওয়ার আগে হোস্টিং কোম্পানির পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম কানুন জেনে নিন। এতে অনেক সময় অনেক ঝামেলা থেকে সহজে বের হয়ে আসা যায়।
- ৭. হোস্টিং কোম্পানি পূর্ব নির্ধারিত কোন হোস্টিং প্যকেজটি আপনার জন্য ভালো হবে তা জেনে নেওয়ার চেস্টা করুন। পরে নিজে বিবেচনা করে একটি হোস্টিং প্যকেজটি নির্বাচন করুন।
- ৮. হোস্টিং কোম্পানি থেকে হোস্টিং প্যকেজটি নির্বাচন এর পর টাকা পয়সার লেনদেন এর পুরো ব্যপারটি বিস্তারিত জেনে ও বুঝে নিন। টাকা পয়সার লেনদেন এর রসিদ সব সময় সংগ্রহে রাখুন।
·
গুগলএ
সার্চ করলেই আমরা আমাদের
প্রয়োজনীয় তথ্য খুব সহজেই পেয়ে
যাই। এই
তথ্য গুলি সার্ভার এর
মধ্যে জমা থাকে।
·
প্রতি
নিয়ত নুতন নুতন ওয়েবসাইট
আসছে। ব্লগার রা ওয়েবসাইটএ
ব্লগ লিখে অনেক অনেক
ইনকাম করছে।
·
আমরাও
অনকে ডোমেইন কিনে ফেলি
কিন্তু আমাদের ওয়েবসাইট কোথায় হোস্টিং করবো সেটা নিয়ে
অনেক রিসার্চ করি কোথায়
·
হোস্টিং
করলে ভালো হবে সেটাও
খুজে দেখি। গুগল এ
সার্চ করলে আমরা অনেক
হোস্টিং কোম্পানির অ্যাড দেখি।অনেক লোকাল
·
কোম্পানি
আছে যারা খুব কম
টাকায় হোস্টিং দেয়। আনলিমিটেড হোস্টিং,
আনলিমিটেড ব্যান্ডউইডথ দেখে আমরা কিনেও
নি।
·
কিন্তু
পরে দেখা যায় অনেক
লিমিটেসন থাকে। আবার কিছু
কিছু কোম্পানি গুলোর মাঝে মাঝে সার্ভার ডাউন থাকে।
·
সুতরাং
আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য ভালো
হোস্টিং প্রোভাইডার এর কাছ থেকেই
হোস্টিং কিনবেন।
·
আমার
দেখা সবথেকে ভালো ও
নির্ভর যোগ্য দুটো হোস্টিং কোম্পানি
হলো----------
·
১.Bluehost
- bluehost একটি নির্ভর যোগ্য হোস্টিং
কোম্পানি। এখানে লক্ষ লক্ষ
ওয়েবসাইট হোস্টিং করা হই
·
wordpress officially bluehost কেই হোস্টিং প্রোভাইডার
হিসেবে রেকমেন্ড করে। bluehost আপনাকে
·
একটা
ক্লিক এই wordpress install এর সুবিধা দেয়।
খুব সহজেই আপনি এখানে
wordpress ইনস্টল করতে
·
পারবেন।এখানে
আপনি একসাথে অনেক ডোমেইন (আনলিমিটেড
) হোস্টিং করতে পারেন। এছাড়া
আপনি পাবেন
·
আনলিমিটেড
ডিস্ক স্পেস আনলিমিটেড ট্রান্সফার
আনলিমিটেড ইমেইল হোস্টিং এর
সুবিধা। এছাড়া ও আপনি
·
বিনামূল্যে
একটি ডোমেইন ও পাবেন।
·
২.Hostgator
-Hostgator হচ্ছে সারা বিশ্বের সব
থেকে সেরা হোস্টিং কোম্পানি।Hostgator
এর সার্ভার খুব ফাস্ট
·
এবং
সবসময় up থাকে। এখানেও আপনি
আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস আনলিমিটেড
ব্যান্ডউইডথ ও আনলিমিটেড ইমেইল
·
হোস্টিং
এর সুবিধা পাবেন। সাথে
পাবেন ১০০$গুগল adwords credit একদম বিনামূলে।
এখানে কিছু
·
এপ্লিকেশন
পাবেন যার সাহায্যে খুব
সহজেই ecommerce ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন
নিজেই খুব সহজে।
·
Bluehost ও
Hostgator এ 25%
discount পেতে হলে্এই কুপনটি " NETMANHOST25 " ব্যবহার করতে পারেন।
·
কোনো
হেল্প এর দরকার হলে
আমার সাথে কন্টাক্ট করতে
পারেন।
আজ
আমার এই টিউনটি হোস্টিং
সার্ভার নিয়ে । আমি
এখানে হোস্টিং নিয়ে কিছু বলব
। লেখাটা প্রধানত
মানুষের এত হোস্টিং করার
প্রতি আগ্রহ দেখে করা
। ভাল লাগলে
কমেন্ট করবেন । হোস্টিং
এর উপর আপনার সাইটের
অনেক কিছু নির্ভর করে
। সাইট কেমন
হবে , স্পিড কেমন হবে
, সিপ্যানেল হোস্টিং কিনা এবং আরো
অনেক কিছু । হোস্টিং
সার্ভার দুই প্রকার ।
১ . Windows ২. লিনাক্স ।
বেশির ভাগ হোস্টিং সার্ভারই
লিনাক্স এর । আমার
জানা মতে লিনাক্স হোস্টিং
ই ভাল ।
হোস্টিং টাইপ ২ প্রকার
- 1. Share hosting
- Resell hosting
1. Share hosting : সাধারন
মানুষদের জন্য , যারা তাদের
সাইট কে হোস্টিং করতে
চান । এতে
তিনি নিজের সাইট হোস্টিং
করবেন । এটা
কিনতে আনেক কম টাকা
লাগে । ফ্রিও
অনেক সাইট দিয়ে থাকে
।
Resell hosting : বিগ
বস দের জন্য , এটা
আপনাদের জন্য না যারা
নিজের সাইট হোস্টিং করতে
চান । এটা
একটা বিজনেস । যার
মার্কেটিং থাকতে হবে ।
এটা ও সাধারন হোস্টিং
এর মতই প্রায় ।
কিন্তু অনেক সমস্যা হয়
। যে সেল
না করতে পারবে , তার
এটা নিয়ে কোন লাভ
নেই ।
হোস্টিং system আবার দুই প্রকার
- With cpanel
- Without cpanel
WITH CPANEL : আমি এই হোস্টিং
সার্ভার গুলোই পছন্দ করি
। এগুলো খুব
সুন্দর । ফাইল
এডিট করে খুব সহজ
। এটা দিয়ে
সাইট এর ইমেইল তৈরি
করা যাই খুবই সহজে
। এটা
একটা
ফ্রি
cpanel সার্ভার
।
WITH OUT CPANEL এর কথায় আর
গেলাম না । এটা
তে অনেক সুবিধা নেই
। তবে এটাও
অনেক ভাল । এটার
জন্য অনেক ভাল সার্ভার
আছে । So you can try this . এবং একটা কথা
হল , এগুলো ৯০ % ই
ফ্রি ।
Some hosting site :
আমাদের
দেশে কোন হোস্টিং সার্ভার
নেই মনে হয় ।
আর সার্ভার তৈরি করতে অনেক
খরচ । তাই
১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলা যাই
, বাংলাদেশে হোস্টিং সার্ভার নেই । তাহলে
কি আছে ? আছে রিসেলার
। রিসেলার হোস্টিং
এর কথা আগেও বলেছি
। অনেক রিসেলারই
আছেন , আমি দুই জনকে
চিনি । সাইবার এক্স হোস্ট এবং সুপার
সনিক্স
হোস্ট
।
দুই
জনই খুবই ভাল ।
এবং খুবই হেল্প করেন
।
আর
আপনারা কেউ কেউ বলেন
যে , দেশি রিসেলার দের
কাছ থেকে হোস্টিং কিনবেন
না , তাদের ভাল সার্ভার
না , এটা একটা ভুল
কথা । সার্ভার
সম্পূর্ণ মূল সার্ভার এর
উপর নির্ভরশীল । এখন
আরো একটা সাইট এর
কথা বলে টিউনটি শেষ
করব ।
hostgator.com :
এটা
একটা ওয়াল্ড বেষ্ট হোস্টিং
সার্ভার । এখান
থেকে আপনি এক মাসের
হোস্টিং ০.০১ ডলারে
নিতে পারেন । এর
জন্য নিচের ব্যানারে ক্লিক
করে , সাইটে গিয়ে , যখন
কুফন কোড চাইবে , তখন
সেটা techtunesspecial এই কোড টা
দিন । তারপর
pay করে দিন । কাজ
হয়ে যাবে । ব্যানার
টা : HOSTGATOR.COM
| CLICK THIS
তথ্যপ্রযুক্তির
প্রসারে বর্তমানে বড় মাধ্যমগুলোর একটি
হচ্ছে ওয়েবসাইট। এর
ব্যাপক ব্যবহার শুধু শহরে নয়,
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও। ওয়েবের
ব্যবহার এখন আগের তুলনায়
অনেক বেশি। এ
ছাড়া রয়েছে ওয়েব অ্যাপি¬কেশন, ওয়েব পোর্টাল,
সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, ই-কমার্স এবং
আরো নানা ধরনের ওয়েব
তৈরি ও ব্যবহার।
ওয়েবভিত্তিক সলিউশন তৈরি করলে
এর মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে
ওয়েব হোস্টিং। বাংলাদেশে
স্কুল, কলেজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানসহ
সরকারি-বেসরকারি সব ওয়েবসাইটেরই রয়েছে
ভিন্ন ভিন্ন হোস্টিং সার্ভিস
কোম্পানি। অনেক
ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শুধু
নিজেরা না জানার কারণে
কোন টাইপের হোস্টিং কিনলে
নিজের চাহিদা পূরণ হবে
সে বিষয়ে জানে না। এ
জন্যই অনেক সময় হোস্টিং
নিচ্ছেন, কিন্তু পরবর্তী সময়
দেখা যায় ভোক্তার চাহিদা
পূরণ হচ্ছে না।
আবার অনেক সময় না
বুঝে বেশি দামে হোস্টিং
কিনছেন অনেকে। আবার
কেউ কেউ অল্প টাকায়
ভালো সার্ভিস পাওয়ার আশায় না বুঝেই
হোস্টিং কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হন
এবং পরবর্তী সময়ে সমস্যায় পড়েন। এসব
সমস্যার সমাধানে আমরা আজ হোস্টিং
নিয়ে বিশদভাবে তুলে ধরার প্রয়াস
পাব। আপনি
যদি কোনো কাজে সচেতন
না হয়ে থাকেন, তবে
দেখা যাবে হোস্টিংয়ের পেছনে
অপ্রয়োজনীয় অনেক খরচ করছেন।
ডোমেইন
নেম কী?
ডোমেইন
নেম হচ্ছে এমন একটি
ইউআরএল তথা ইউনিভার্সাল রিসোর্স
লোকেটর, যা কোনো একটি
ওযেবসাইটকে একক নামে নির্দেশ
করে। এটি সব সময়
ওই মালিকের নিজস্ব সম্পত্তি। যেকোনো
ডোমেইন নেমের শুরু www দিয়ে,
যা সার্ভারকে খুঁজে বের করতে
সহায়তা করে এবং .com .net .edu ইত্যাদি
হচ্ছে এক্সটেনশন। এর মাধ্যমে বুঝা
যায় ডোমেইনটি কী ধরনের কাজে
ব্যবহার হয়। যেমন com-কমার্শিয়াল,
edu-এডুকেশন, net-নেটওয়ার্কিং ইত্যাদিসহ বর্তমানে ২৮০টিরও বেশি ডোমেইন এক্সটেনশন
রয়েছে সারা বিশ্বে। আমাদের
দেশের নিজস্ব এক্সটেনশন রয়েছে।
যেমন .bd, এটি শুধু বাংলাদেশের
এক্সটেনশন হিসেবে সারা বিশ্বে
ব্যবহার হবে।
বিশ্বে
ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণের জন্য
আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এর নাম ICANN (ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইনড নেমস
অ্যান্ড নামবারর্স)। বর্তমান
বিশ্বে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ডোমেইন ব্যবহার করে
আমেরিকায় এর সংখ্যা ৭৮,২,৩৩,৭৮০টি।
হোস্টিং/ওয়েব হোস্টিং কী?
হোস্টিংকে
আমরা অনেকেই ওয়েব হোস্টিংও
বলি। সোজা কথায় ওয়েব
হোস্টিং হচ্ছে তা, যেখানে
আপনার তৈরি করা ওয়েব
ফাইলগুলোকে সাজিয়ে রাখতে পারেন। প্রয়োজনে
তা আবার ইন্টারনেটের মাধ্যমে
যেকোনো জায়গায় বসে দেখতে পাবেন।
কারিগরি
ভাষায় হোস্টিং হচ্ছে একটি কমপিউটারের
হার্ডডিস্কের জায়গা, যাকে আমরা সার্ভার
বলি। এর খালি অংশে
আমরা আমাদের তথ্যগুলোকে সাজিয়ে
রাখি যাতে পরবর্তী সময়ে
যেকেউ ইন্টারনেট সহযোগিতার মাধ্যমে তথ্যগুলো ব্রাউজ করেন। এ
কাজটিকেই আমরা ওয়েবসাইট ব্রাউজিং
বলি। বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের
হোস্টিং সার্ভিস রয়েছে।
কেস
স্টাডি-১
কোনো
এক ব্যক্তি একটি ওয়েব হোস্টিং
কোম্পানি খুঁজছেন তাদের অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটটি
হোস্টিং করার জন্য। তার
মূল কাজ ওই অ্যাসোসিয়েশনের
সব মেম্বারকে একত্রিত করা এবং পরবর্তী
সময়ে সবাইকে গ্রুপ ই-মেইলের মাধ্যমে সংগঠনের
সব তথ্য জানানো। কিন্তু
পরবর্তী সময়ে একসাথে ৬০০
জনকে গ্রুপ ই-মেইল
করতে গিয়ে দেখলেন একসাথে
তো এত মেইল যাবে
না। কারণ, ওই প্যাকেজে
এক ঘণ্টায় ১৫০টির বেশি ই-মেইল একসাথে পাঠানোর
সুযোগ নেই। এবং ওই
সার্ভারে এরচেয়ে বেশি একসাথে ই-মেইল পাঠানোর জন্য
চাইলেও কারিগরি সুবিধা নেই। এদিকে
ওই ব্যক্তি দুই বছরের জন্য
হোস্টিং স্পেস কিনেছেন এবং
এই দুই বছরের টাকা
দিয়ে এক মাসের মধ্যে
অন্য কোম্পানিতে হোস্টিং ট্রান্সফার করতে বাধ্য হন।
কেস
স্টাডি-২
নজরুল
ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী
তার প্রতিষ্ঠানের জন্য চার বছর
আগে একটি ডোমেইন কেনেন
বাংলাদেশের একটি নামকরা প্রতিষ্ঠান
থেকে। পরপর তিন বছর
ডোমেইনটি নবায়ন করে নেন।
কিন্তু চতুর্থ বছরে এসে
দেখলেন, ডোমেইন হোস্টিংয়ের দাম
দ্বিগুণ ধরা হয়েছে। তিনি
দাম কমাতে ব্যর্থ হয়ে
ডোমেইনের কন্ট্রোল প্যানেল দিয়ে দিতে বলেন,
কিন্তু অনেক দেন-দরবার
করেও কোনো লাভ না
হওয়ায় পরবর্তী সময়ে খুবই প্রয়োজনীয়
ডোমেইন নেমটি নবায়ন করাতে
পারেননি। কারণ, ওই কোম্পানি
ডোমেইনে কন্ট্রোল প্যানেল দেবে না বলে
সরাসরি বলে দিয়েছে। ওই
ব্যক্তির জানা নেই, এ
ব্যাপারে কোনো আইনগত ব্যবস্থা
নিতে পারবেন কি না।
অতএব সাবধান।
কেস
স্টাডি-৩
আনিসুল
হক একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান।
নিজের প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় পাঁচ
বছর ধরে একটি ওয়েবসাইট
এবং ওয়েবমেইল চালু ছিল। ষষ্ঠ
বছরে ডোমেইন ও হোস্টিং
নবায়ন করতে এসে দেখলেন,
ওই কোম্পানিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে
না। আগের ঠিকানায় যোগাযোগ
করলেন। পুরনো ই-মেইলে
যোগাযোগ করলেন। কিন্তু শেষ
পর্যন্ত জানতে পারেন, ওই
কোম্পানি সবকিছু বিক্রি করে
বিদেশে চলে গেছে। তার
হাতে ডোমেইনের কোনো কন্ট্রোল ছিল
না। তাই পরবর্তী সময়
ওই ডোমেইনটি বন্ধ হয়ে যায়।
অতএব সাবধান।
এখানে
আমাদের শেখার বিষয় হলো,
আমাদের প্রয়োজনগুলো সবার আগে ভালো
করে বুঝতে হবে। ভালো
করে দেখে নিতে হবে
হোস্টিং কোম্পানির দেয়া সব অফার।
একটি ছোট ওয়েবসাইট হোস্টিংয়ের
ক্ষেত্রে এটি একটি সাধারণ
অভিজ্ঞতা। একবার ভেবে দেখুন,
আপনি যদি আরো জটিল
ধরনের হোস্টিং কিনতে চান তখন
কী হবে। যদি নিজে
সাবধান না হন, তবে
দেখা যাবে হোস্টিংয়ের জন্য
আপনি অযথা টাকা খরচ
করছেন।
অনেক
বোঝার ব্যাপার আছে। অনেক কোম্পানি
খুব ভালো সার্ভার অনেক
ভালো দামে অফার করে।
অতএব আপনাকে নিজে আগে
সচেতন হতে হবে, তারপর
ভালো করে জেনে নিন,
কী নিচ্ছেন।পরবর্তী লেখায় হোস্টিং নেয়ার আগে আপনার
করনীয় সম্পর্কে আলোচনা করব।
বিশেষ
সংযোজনঃ
এ লেখাটি একটি আইটি
ব্লগে
ধারাবাহিকভাবে
প্রকাশিত
হয়েছে।ওয়েব
হোস্টিং
নিয়ে আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে পরবর্তী পর্বের লেখাগুলি পরতে পারেন ইচ্ছা করলে।ধারাবাহিক এই লেখাটিতে আরো অনেক কিছু নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে , তার মধ্যে আছে -হোস্টিং সার্ভারের বিস্তারিত, কিভাবে হোস্টিং সার্ভার নিবেন, কিভাবে হোস্টিং সার্ভার ম্যানেজ করবেন ইত্যাদি নিয়ে এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি, বেসিস, সিনিয়র সিস্টেমস অ্যানালিস্ট, বিসিসি,ব্যবস্থাপনা পরিচালকটেকনোবিডি ওয়েব সল্যুশন লিমিটেড এর সাক্ষাৎকার।
আসসালামু
আহলাইকুম। আশা
করি সবাই ভাল আছেন। আজ
আমি ওয়েব হোস্টিং প্রাথমিক
ধারণা ২য় পর্ব উপস্থাপন
করব। আজ
থাকবে বিভিন্ন ওয়েব হোস্টিং এর
প্রাথমিক ধারণা আর আপনার
ওয়েবসাইটের জন্য উপযুক্ত ওয়েব
হোস্টিং নির্বাচন কৌশল। কেউ
প্রথম পর্ব না পড়লে
অনুগ্রহপূর্বক নিচের লিঙ্ক থেকে
আগে পড়ে নিন।
২।
শেয়ার ওয়েব হোস্টিং কি?
একই সার্ভারে এক সাথে কয়েকটা থেকে শত শত বা হাজার হাজার ছোটো বড় অনেক সাইট এক সাথে রাখা করা হয়। সাধারণত, সব ডোমেইন একই সার্ভারের RAM, Hard Disk ও Bandwidth চাহিদামাপিক শেয়ার করে নেয়। এই ধরনের হোস্টিং এর ফিচার খুব সাধারন এবং সফ্টওয়্যার আপডেট এর সাথে নমনীয় না হতে পারেন। রিসেলারা সাধারনত শেয়ার ওয়েব হোস্টিং বিক্রয় করে থাকে এবং বেশিভাগ ওয়েব হোস্টিং কোম্পানীর সাধারনত রিসেলার অ্যাকাউন্ট থাকে ক্লায়েন্টদের হোস্টিং সেবা দেবার জন্য।
একই সার্ভারে এক সাথে কয়েকটা থেকে শত শত বা হাজার হাজার ছোটো বড় অনেক সাইট এক সাথে রাখা করা হয়। সাধারণত, সব ডোমেইন একই সার্ভারের RAM, Hard Disk ও Bandwidth চাহিদামাপিক শেয়ার করে নেয়। এই ধরনের হোস্টিং এর ফিচার খুব সাধারন এবং সফ্টওয়্যার আপডেট এর সাথে নমনীয় না হতে পারেন। রিসেলারা সাধারনত শেয়ার ওয়েব হোস্টিং বিক্রয় করে থাকে এবং বেশিভাগ ওয়েব হোস্টিং কোম্পানীর সাধারনত রিসেলার অ্যাকাউন্ট থাকে ক্লায়েন্টদের হোস্টিং সেবা দেবার জন্য।
৩।
রিসেলার ওয়েব হোস্টিং?
এই হোস্টিং এ ক্লায়েন্ট নিজেরাই ওয়েব হোস্ট সেবা প্রদানকারী হতে পারবেন। তাদের নিজস্ব ভার্চুয়াল ডেডিকেটেড সার্ভার থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে। অনেক রিসেলারদের তাদের ক্লায়েন্টদের বিক্রয় পরবর্তী প্রযুক্তিগত সহায়তার নিজেরাই প্রদান করে থাকে।
এই হোস্টিং এ ক্লায়েন্ট নিজেরাই ওয়েব হোস্ট সেবা প্রদানকারী হতে পারবেন। তাদের নিজস্ব ভার্চুয়াল ডেডিকেটেড সার্ভার থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে। অনেক রিসেলারদের তাদের ক্লায়েন্টদের বিক্রয় পরবর্তী প্রযুক্তিগত সহায়তার নিজেরাই প্রদান করে থাকে।
৪।
ভার্চুয়াল ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং?
এটা ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (VPS) নামে পরিচিত যেখানে মূল সার্ভারের RAM, Hard Disk ও Bandwidth ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারের মধ্যে এমন ভাবে বরাদ্দ করা হয় যেন ক্ষমতা বেশি না হয়। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট এর নিজ নিজ ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারে অ্যাক্সেস থাকে। সে সফ্টওয়্যার আপডেটসহ সব রকম ধরনের পরিবতন করতে পারে। যেটা আমরা ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং মনে করে ব্যবহার করি। এটি ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং এর তুলনায় একটু কম ব্যয়বহুল হয়।
এটা ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (VPS) নামে পরিচিত যেখানে মূল সার্ভারের RAM, Hard Disk ও Bandwidth ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারের মধ্যে এমন ভাবে বরাদ্দ করা হয় যেন ক্ষমতা বেশি না হয়। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট এর নিজ নিজ ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারে অ্যাক্সেস থাকে। সে সফ্টওয়্যার আপডেটসহ সব রকম ধরনের পরিবতন করতে পারে। যেটা আমরা ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং মনে করে ব্যবহার করি। এটি ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং এর তুলনায় একটু কম ব্যয়বহুল হয়।
৫।
ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং?
এখানে ব্যবহারকারী তার নিজস্ব ওয়েব সার্ভার পায় এবং এটি সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ (ব্যবহারকারী উইন্ডোজের জন্য লিনাক্স / প্রশাসক অ্যাক্সেসের জন্য root-র অধিকারপ্রাপ্ত) লাভ করে; তবে, ব্যবহারকারী সাধারণত সার্ভারের মালিক না। এটি ভার্চুয়াল ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং এর তুলনায় খুব ব্যয়বহুল হয়। ব্যবহারকারী ক্লায়েন্ট তার নিজের ডেডিকেটেড সার্ভারের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়ী, যার মানে সার্ভারের সাথে পূর্ণ প্রশাসনিক অধিকারপ্রাপ্ত।
এখানে ব্যবহারকারী তার নিজস্ব ওয়েব সার্ভার পায় এবং এটি সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ (ব্যবহারকারী উইন্ডোজের জন্য লিনাক্স / প্রশাসক অ্যাক্সেসের জন্য root-র অধিকারপ্রাপ্ত) লাভ করে; তবে, ব্যবহারকারী সাধারণত সার্ভারের মালিক না। এটি ভার্চুয়াল ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং এর তুলনায় খুব ব্যয়বহুল হয়। ব্যবহারকারী ক্লায়েন্ট তার নিজের ডেডিকেটেড সার্ভারের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়ী, যার মানে সার্ভারের সাথে পূর্ণ প্রশাসনিক অধিকারপ্রাপ্ত।
৬।
ম্যানেজড ওয়েব হোস্টিং?
এটি এক প্রকার শেয়ার ওয়েব হোস্টিং যেখানে এফটিপি এর মাধ্যমে তাদের তথ্য পরিচালনা করতে অনুমতি দেওয়া হয়; ব্যবহারকারী তার নিজস্ব ওয়েব সার্ভার পায় কিন্তু এটির সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ পায় না। ব্যবহারকারী উইন্ডোজের জন্য লিনাক্স / প্রশাসক অ্যাক্সেসের জন্য root-র অধিকারপ্রাপ্ত হয় না। এর খরচ সাধারনত খুব কম হয়।
এটি এক প্রকার শেয়ার ওয়েব হোস্টিং যেখানে এফটিপি এর মাধ্যমে তাদের তথ্য পরিচালনা করতে অনুমতি দেওয়া হয়; ব্যবহারকারী তার নিজস্ব ওয়েব সার্ভার পায় কিন্তু এটির সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ পায় না। ব্যবহারকারী উইন্ডোজের জন্য লিনাক্স / প্রশাসক অ্যাক্সেসের জন্য root-র অধিকারপ্রাপ্ত হয় না। এর খরচ সাধারনত খুব কম হয়।
৭।
ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং?
সাধারন কথায় যখন অনেকগুলি ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং সার্ভার এক সাথে একত্রে কাজ করে তখন সেটাকে সাধারনত ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং সার্ভার বলা হয়। Google, Facebook, Amazan এই ধরনের ওয়েব হোস্টিং ব্যাবহার করে। আসলে ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং ছাড়া আনলিমিটেড ওয়েব স্পেস আর ব্যান্ডওয়িড কল্পনাও করা যায় না। এটা নিয়ে আগামীতে বিস্তারিত লেখব করব আশা করি।
সাধারন কথায় যখন অনেকগুলি ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং সার্ভার এক সাথে একত্রে কাজ করে তখন সেটাকে সাধারনত ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং সার্ভার বলা হয়। Google, Facebook, Amazan এই ধরনের ওয়েব হোস্টিং ব্যাবহার করে। আসলে ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং ছাড়া আনলিমিটেড ওয়েব স্পেস আর ব্যান্ডওয়িড কল্পনাও করা যায় না। এটা নিয়ে আগামীতে বিস্তারিত লেখব করব আশা করি।
এখন জানা যাক কোন ধরনের ওয়েব হোস্টিং কোন ধরনের ওয়েব ওয়েবসাইটের জন্য???
প্রথমে
আমাদের জানতে হবে আমরা
যে ওয়েবসাইট হোস্টিং করাতে চাইতেছি সেটার
কিছু বিষয়ঃ
১। সেটি কি ধরনের ওয়েবসাইট কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজের ভিত্তিতে (যেমন পিএইচপি, ডট নেট, J2EEE)?
২। এর জন্য প্রাথমিকভাবে আনুমানিক কত ওয়েব স্পেস দরকার?
৩। ওয়েব স্পেস কি ভবিষ্যতে বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা আছে?
৪। যদি বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে প্রতি দিন বা প্রতি মাসে বা প্রতি বছর আনুমানিক কি পরিমান বৃদ্ধি পেতে পারে?
৫। ওয়েবসাইটে প্রাথমিকভাবে প্রতি ঘন্টায় বা প্রতি দিন বা প্রতি মাসে আনুমানিক কত জন পরিদর্শক হতে পারে?
৬। প্রতি দিন বা প্রতি মাসে আনুমানিক কি হারে পরিদর্শক বৃদ্ধি পেতে পারে?
৭। ওয়েবসাইটে কি অর্থের লেনদেনের বেপার আছে কি না?
১। সেটি কি ধরনের ওয়েবসাইট কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজের ভিত্তিতে (যেমন পিএইচপি, ডট নেট, J2EEE)?
২। এর জন্য প্রাথমিকভাবে আনুমানিক কত ওয়েব স্পেস দরকার?
৩। ওয়েব স্পেস কি ভবিষ্যতে বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা আছে?
৪। যদি বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে প্রতি দিন বা প্রতি মাসে বা প্রতি বছর আনুমানিক কি পরিমান বৃদ্ধি পেতে পারে?
৫। ওয়েবসাইটে প্রাথমিকভাবে প্রতি ঘন্টায় বা প্রতি দিন বা প্রতি মাসে আনুমানিক কত জন পরিদর্শক হতে পারে?
৬। প্রতি দিন বা প্রতি মাসে আনুমানিক কি হারে পরিদর্শক বৃদ্ধি পেতে পারে?
৭। ওয়েবসাইটে কি অর্থের লেনদেনের বেপার আছে কি না?
২নং
থেকে ৬নং পযর্ন্ত প্রাথমিকভাবে
আনুমানিক ধরে নিতে হবে,
কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করে
নিয়মিত মনিটর করতে হবে।
আগামীতে এই সব টুলস
নিয়ে বিস্তারিত লেখব আশা করি।
১নং
এর অবশ্যই হোস্টিং সার্ভারে
সাপোর্ট থাকতে হবে। যদি
ওয়েবসাইটে অর্থের লেনদেনের বেপার
থাকে তাহলে প্রাথমিক মূলধনের
উপর ভিত্তি করে ভার্চুয়াল
ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং অথবা
ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার
করাই উত্তম। তবে যদি
প্রাথমিক মূলধন খুব কম
হয় তাহলে ম্যানেজড ওয়েব
হোস্টিং ব্যবহার করে যেতে পারে।
যদি ওয়েব স্পেস আর
পরিদর্শক প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা
থাকে, তাহলে যে হোস্টিংই
ব্যবহার করেন না কেন
তাতে অবশ্যই ক্লাউড ওয়েব
হোস্টিং সিস্টেম থাকতে হবে যাতে
আমরা প্রয়োজন অনুসারে কোন জামেলা ছাড়াই
ওয়েব স্পেস আর ব্যান্ডওয়িড
বাড়াই নিতে পারেন। আশা
করি বুঝতে পেরেছেন। আপনারা
iHosting24
থেকে
ফ্রীতে বা খুব সুলভ
মূল্যে ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং
স্মবলিত বিভিন্ন প্রকার ওয়েব হোস্টিং
প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন এবং
চাহিদামাপিক ওয়েব স্পেস আর
ব্যান্ডওয়িড বাড়াই নিতে পারেন।
আজ এই পর্যন্তই, সবাইকে
ধন্যবাদ আর আমি যেহেতু
বাংলায় লেখতে তেমন একটা
অভ্যাস্ত না তাই কোন
ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমাসুলভ
দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।
আপনাদের আনুপ্রেরনা পেলে আগামীতে আরও
বিভিন্ন বিষয়ে লেখার ইচ্ছা
আছে। আশা করি সাথে
থাকবেন।
http://www.techtunes.com.bd/web-development/tune-id/272986
অনেকেই
আয়ের দ্বিতীয় সোর্স হিসেবে ওয়েব
হোস্টিং ব্যবসার কথা চিন্তা করেন। আবারো
কেউ প্রফেশনাল হিসেবে ওয়েব হোস্টিং
ব্যবসার কথা চিন্তা করে
থাকেন। কিন্তু
ওয়েব হোস্টিং ব্যবসা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক
কোন জ্ঞান না থাকায়
কাঙ্খিত সাফল্য পান না। এবং
কিভাবে ব্যবসা সেটাপ করবেন,
সাপোর্ট দিবেন অথবা মার্কেটিং
করবেন তার সঠিক ধারণা
না থাকায় অনেকেই রিসেলার
হোস্টিং কিনে বিপদে পড়েন। তাদের
কথা চিন্তা করে পার্পল
আইটি লিমিটে এ বিষয়ক
একটি প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে।
কি কি শেখানো হবে?-
- ডোমেইন এবং হোস্টিং কী?
- ব্যবসার জন্য ডোমেইন এবং হোস্টিং নির্বাচন করা
- ডোমেইন রিসেলার নির্বাচন করা
- ওয়েব ডিজাইন, প্রাইস এবং প্লান ডিজাইন
- বিলিং সিস্টেম সেটাপ
- মিড টার্ম এক্সাম
- প্রাইভেট নেম সার্ভার সেটাপ ও ডিএনএস সম্পর্কে ধারনা প্রদান
- cPanel এবং WHM সম্পর্কে ধারণা প্রদান
- মার্কেটিং সম্পর্কে ধারনা প্রদান
- টেকনিক্যাল সাপোর্ট এর বিভিন্ন ইস্যু সম্পর্কে আলোচনা, টিপস, ট্রিকস
- ফাইনাল এক্সাম।
প্রশিক্ষণের মেয়াদ-
১
মাস (১০টি ক্লাস) প্রতিটি
ক্লাস ২ ঘন্টার। প্রতি
ব্যাচে ৫ জন করে
নেয়া হবে।
ভর্তি এবং প্রশিক্ষণ ফি-
কোর্স
ফি- ৩০০০ টাকা। প্রশিক্ষণ
শুরু: ৮ মার্চ, ২০১৩। নিবন্ধনের শেষ তারিখ: ১ মার্চ ২০১৩ । আমাদের
আসন সংখ্যা যেহেতু নির্দিষ্ট
তাই আপনার আসনটি আগেভাগে
বুকিং করে রাখুন। আপডেটেড
থাকার জন্য আমাদের ফলো
করবেন আশা করি।
শীঘ্র আমাদের আরও কিছু প্রশিক্ষণ চালু হবে-
- ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগিন ডেভলপমেন্ট
- ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্ট
আমাদের অফিসের ঠিকানা:
পার্পল
আইটি লিমিটেড
বাসা নং: ৩৯১(৬ষ্ঠ তলা), রোড নং-২৯
ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা-১২০৬
ইমেইল: info@purpleitltd.com
ফোন: ০১৯৭৮৯৯২২০০ ও ০১৬৭১৬১৫৩৮৯
বাসা নং: ৩৯১(৬ষ্ঠ তলা), রোড নং-২৯
ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা-১২০৬
ইমেইল: info@purpleitltd.com
ফোন: ০১৯৭৮৯৯২২০০ ও ০১৬৭১৬১৫৩৮৯
আমাদের অন্যান্যা সার্ভিসসমূহ
- ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন
- ওয়েব হোস্টিং
- রিসেলার হোস্টিং
- মাস্টার রিসেলার হোস্টিং
- ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার
- ডেডিকেটেড সার্ভার
- ওয়েব সাইট ডেভলপমেন্ট
- সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট
ওয়ার্ডপ্রেস বাংলা ওয়েব সাইটের শুভ
উদ্ভোদন উপলক্ষে আমার আমার এই
প্রথম পোস্ট কে আপনাদের
মাঝে তুলে ধরলাম।
জানিনা কেমন লিখবো এই
পোস্ট এ তবে আশা
করি সকল নতুন ব্যবহারকারীদের
বেশ কাজে দেবে এই
পোস্ট।
ওয়ার্ডপ্রেস কি?
ওয়ার্ডপ্রেস
একটি সিএমএস (কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) এই সিএমএস ব্যবহার
করে সুদর ও আকর্ষণীয়
ওয়েব সাইট ও ব্লগ
তৈরি করা যায়।
ওয়ার্ডপ্রেস কেন?
ওয়ার্ডপ্রেস
হচ্ছে একটি মুক্ত সফটওয়্যার
যা পিএইচপি দিয়ে তৈরি করা
হয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করার জন্য কোন
লাইসেন্স ক্রয় করতে হয়না
কারন এটি একদম বিনামূল্য।
ওয়ার্ডপ্রেস এর থিম ডাইরেক্টরি
তে প্রচুর থিম আছে
যার মধ্যে প্রায় সবগুলোই
বিনামূল্য। এছাড়াও রয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস এর
প্লাগিন ডাইরেক্টরি এবং এখানেও রয়েছে
অসংখ্য ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন যার মধ্যে প্রায়
সবগুলোই বিনামূল্য। তাছাড়া বিভিন্ন লেখক অনেক ধরনের
প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম ও প্লাগিন
তৈরি করেছেন যা আপনি
সুলভ মূল্যে ক্রয় করে
আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইট এর
জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে কি কি প্রয়োজন?
ওয়ার্ডপ্রেস
ব্যবহার করতে একটি পিএইচপি
ও মাইএসকিউএল সমর্থন করে এই
রকম একটি সার্ভার (হোস্ট)। ডোমেইন
ও নিজের কিছু মেধা
।
সার্ভার (হোস্ট) কি?
দেখতেই
পাচ্ছেন ঝর হোক বা
বৃষ্টিই হোক ওয়ার্ডপ্রেস বাংলা
ওয়েব সাইটটি সব সময়
সচল। কখন যে এই
ওয়েব সাইটটি বন্ধ ও
কখন খোলা হয় তা
বোঝা সম্ভব হচ্ছে না।
যদি মনে করেন এই
ওয়েব সাইটটি জামিল ভাই
তৈরি করেছে তাহলেই এই
ওয়েব সাইটের সকল ফাইল
জামিল ভায়ের কম্পিউটারে থাকার
কথা। কিন্তু জামিল ভাই
তো দিনে ১০-১৫
বার কম্পিউটার বন্ধ করে কই
ওয়ার্ডপ্রেস বাংলা বন্ধ তো
হচ্ছে না। সার্ভারও হচ্ছে
কম্পিউটার কিন্তু এই কম্পিউটার
জামিল ভায়ের নয়! হয়তো
অন্য কারো। কিন্তু জামিল
ভাই সেই কম্পিউটারের কিছু
অংস ক্রয় করে নিয়েছে।
কারন এই কম্পিউটার নিরাপদ
স্থানে আছে যেখানে বিদ্যুৎ
অথবা ঝর-বৃষ্টির তে
কম্পিউটারের সমস্যা কম হয়
এবং সারাদিন-রাত চালু হয়ে
থাকে। হোস্টিং এর জন্য সবচেয়ে
ভালো ও জনপ্রিয় অপারেটিং
সিস্টেম হচ্ছে লিনাক্স এবং
হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল হচ্ছে সিপ্যানেল (cPanel)।
ডোমেইন কি?
সহজ
ব্যপার! ডোমেইন হচ্ছে একটি
নাম যে নামে আপনার
ওয়েব সাইটকে সকলে চিনতে
পারবে। প্রতিটা জিনিস এর যেমন
নাম আছে তেমনি আপনার
ওয়েব সাইটের ও একটি
নাম রাখা প্রয়োজন। আর
সেই নামকেই ডোমেইন বলা
হয়। তাহলে আপনারা বুঝে
গেছেন সার্ভার (হোস্ট) ও ডোমেইন
কি? নিশ্চয় বুঝে গেছেন। তাহলে
এবার দেখা যাক কিভাবে
আপনার সার্ভার (হোস্ট) ও ডোমেইন
কে একত্রিত করে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার
করে একটি ওয়েব সাইট
তৈরি করা যায়। প্রথমে
আপনাকে একটি ডোমেইন নিতে
হবে। ডোমেইন নেয়ার জন্য
আপনাকে অবশ্যই কিছু অর্থ
প্রদান করতে হবে কারন
আপনি চাইলেই এই ডোমেইন
নিজ থেকে তৈরি করতে
পারবেন না। তবে কিছু
কোম্পানি ফ্রি ডোমেইন প্রদান
করে থাকে আপনি তাদের
ওয়েব সাইট থেকে ডোমেইন
সংগ্রহ করতে পারেন।
ফ্রি
ডোমেইন এর কিছু ওয়েব সাইটঃ
এবার
আপনাকে একটি সার্ভার (হোস্ট)
নিতে হবে। ডোমেইন এর
মত এটার জন্যও কিছু
অর্থ প্রদান করতে হয়।
তবে এর জন্যও বেশ
কিছু ওয়েব সাইট যেখানে
আপনার ওয়েব সাইট এর
সকল তথ্য রাখার জন্য
কিছু অংস বিনামূল্যে প্রদান
করেন।
ফ্রি
ওয়েব হোস্টিং এর কিছু ওয়েব সাইটঃ
- http://www.000webhost.com/
- http://www.freehostia.com/
- http://www.x10hosting.com/
- http://byethost.com/free-hosting/
- http://webbd.info/
- http://dhmart.info/
- http://www.mister.net/free-web-hosting/index.htm
তবে
মনে রাখবেন দুধের সাধ
কোনদিন ঘোল দিয়ে মিটানো
যায় না। তাই ফ্রি
হোস্টিং ও ডোমেইন এর
চেয়ে কিছু টাকা দিয়ে
হলেও কিনে নেয়াই ভালো।
কারন কেনা হোস্টিং এ
আপনি সাপোর্ট পাবেন এর ফ্রি
হোস্টিং এ সাইট বন্ধ
হয়ে গেলেও আপনার কিছু
করার থাকবে না। অ্যাড:
আমার কাছ থেকেও উন্নত
মানের হোস্টিং নিতে পারেন :D।
সাথে ডোমেইন ও নিতে
পারেন ।
ডোমেইন যেভাবে নিবেনঃ
উপরের
লিস্ট থেকে একটি ফ্রি
ডোমেইন কোম্পানি পছন্দ করুণ। অথবা
টপ লেভেল ডোমেইন কিনে
নিন। আমি এখানে টিউটোরিয়াল
এ দেখানোর জন্য ডটটিকে ডোমেইন
কেই পছন্দ করলাম। ডটটিকে
ওয়েব সাইট ওপেন করুণ
এবং আপনি যে নামের
ডোমেইন নিতে চান তা
ফাকা স্থানে লিকে GO বাটনে
ক্লিক করুণ।

এবার
নিচের ছবির মত আসবে
সেখানে:
1. Use DNS এ
ক্লিক করুণ তাহলে দুইটা
অপশন পাবেন।
2. Your Own DNS এ
ক্লিক করুণ আপনার ওয়েব
হোস্টিং এর DNS অথবা আইপি
দেয়ার জন্য।
3. আপনার
হোস্টিং এর DNS দিন।
তারপর
সাইন আপ করুণ। সাইন
আপ করার সময় গুগল,
ফেসবুক, ইয়াহু, লাইভ সহ আরও
সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যেম ব্যবহার করতে পারেন।

ব্যাস
হয়ে গেলো ডোমেইন নেয়ার
কাজ। পরবর্তিতে ডোমেইন এর DNS পরিবর্তন
করার জন্য মাই.ডট.টিকে তে গিয়ে
আপনি সেই সামাজিক যোগাযোগ
ব্যবস্থা ব্যবহার করুণ যা সাইনআপ
করার সময় ব্যবহার করেছিলেন।
সিপ্যানেল হোস্টিং দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলঃ
আপনি
যদি সিপ্যানেল হোস্টিং সেবা গ্রহণ করে
থাকেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল
করার নিয়ম এই পোস্ট
দেখতে পাবেন। এবং যদি
ফ্রি হস্টিং সেবা নিয়ে
থাকেন তাহলে অন্যদিন দেখিয়ে
দেবো
।
প্রথমে
আপনার সিপানেল এ লগইন করুণ
এবং ফাইল ম্যানেজার ওপেন
করুণ।

এবার
আপনার ফাইল ম্যানেজার থেকে
Public_html অথবা WWW ফোল্ডার ওপেন করুণ। এবং
আপলোড ফাইল আপলোড করার
জন্য Upload আইকন এ ক্লিক
করুণ।

এখানে
আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস আপলোড করতে হবে। তাই
এই
লিংক থেকে ওয়ার্ডপ্রেস এর
সর্বশেষ সংস্করণটি ডাউনলোড করুণ। ডাউনলোড সম্পন্ন
হয়ে গেলে আপনাকে এবার
আপনার হোস্ট এ আপলোড
করুণ।

এখন
আপলোড হওয়া সমাপ্ত হলে
আপনার ফাইল ম্যানেজার একবার
রিফ্রেশ (1.Reload) করুণ তাহলেই আপনার
আপলোড করা ওয়ার্ডপ্রেস দেখতে
পাবেন।
এবার
ওয়ার্ডপ্রেস কে আনজিপ করার
জন্য আপলোড করা সেই
ফাইলের উপরে রাইট ক্লিক
করুণ; তাহলে বেশ কিছু
অপশন বেরিয়ে আসবে সেখান থেকে
এক্সট্রাক্ট (3.Extract) মেনুতে ক্লিক করুণ।

এরপর
সেখানে আপনারা আনজিপ করা
ওয়ার্ডপ্রেস এর সকল ফাইলগুলো
দেখতে পাবেন WordPress নামক একটি ফোল্ডারে।
এবার সেই ফোল্ডার ওপেন
করুণ এবং সেখানে সকল
ফাইল ও ফোল্ডার গুলোকে
একসাথে সিলেক্ট করুণ তারপর রাইট
ক্লিক করে Move মেনুতে ক্লিক করুণ। এর পর public_html লিখে
মুভ করুণ।
এখন
আপনার ওয়েব সাইটে ভিজিট
করে দেখুন ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল
হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে
গেছে।

যায়
হোক অবশেষে এতদূর পর্যন্ত
তো এসেছি! এবার পরের
কাজ গুলোও শেষ করতে
পারবো নিশ্চয় আগেই বলেছি ওয়ার্ডপ্রেস
ইন্সটল করার জন্য মাইএসকিউএল
এর প্রয়োজন আছে আর এখন
আমরা সেই মাইএসকিউএল এর
কাজ করবো। তাহলে চলুন
দেখে নেই কিভাবে সিপ্যানেল
দিয়ে মাইএসকিউএল ডাটাবেজ তৈরি করা যায়।
আপনার সিপ্যানেল থেকে MySQL Database Wizard এ ক্লিক করুণ।

এবার
নিচের ছবির মত আসলে
সেখানে আপনার পছন্দ মত
একটি ডাটাবেজ এর নাম দিন
এবং নোট করে রাখুন।
Next Step এর ক্লিক করুণ।

এখন
ডাটাবেজ ব্যবহারকারী ও পাসোয়ার্ড তৈরি
করতে হবে। তাই Username এর
আপনার ডাটাবেজ ইউজার নাম দিন। এবং পাসোয়ার্ড খুব
শক্ত দিতে হবে। শুধু
১২৩৪৫৬ অথবা ABCDE দিলেই হবেনা। আপনার
পাসোয়ার্ড TesT##%%559 এই ধরনের হতে
হবে।

এখানে
যে সকল তথ্য দিচ্ছেন
তা অবশ্যই নোট করে
রাখুন। Create User এ ক্লিক করুণ।
এখন
নিচের ছবির মত সকল
চেকবক্স এ টিক দিয়ে
Next Step এ ক্লিক করুণ তাহলেই
হয়ে গেলো একটি মাইএসকিউএল
ডাটাবেজ সহ একটি ব্যবহারকারীর
সাথে যুক্ত হয়ে গেলো।

এখন
সিপ্যানেল বন্ধ করে দিন
এবং আপনার ওয়েব সাইট
এ ভিজিট করুণ দেখুন
সে আগের অবস্থাতেই আছে
কোন পরিবর্তন হয়নি। তাই একে
একটি পুরনাঙ্গ সাইটে রূপান্তর করার
জন্য Create a
Configuration File এ ক্লিক করুণ আবার
Let’s go! এ ক্লিক করুণ।
এবার
দেখুন একটা ফরম এসেছে
এখন সেখানে মাইএসকিউএল এর
তথ্য গুলো দিতে হবে
যা আপনি সিপ্যানেল দিয়ে
তৈরি করেছিলেন।

1. এখানে
আপনার সিপ্যানলে এর তৈরি মাইএসকিউএল
ডাটাবেজ নাম, ব্যবহারকারী ও
পাসোয়ার্ড দিন।
2. আপনি
যে হোস্ট এ ডাটাবেজ
হোস্ট করেছেন সেই হোস্ট
এর ঠিকানা দিন (এটা
ফ্রি ওয়েব হস্টিং ও
নিজস্ব মানেজ সার্ভার এর
জন্য প্রযোজ্য)। তবে
সিপ্যানেল হোস্ট এর জন্য
localhost ই রাখতে হবে।
3. wp_ হচ্ছে
ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিফল্ট প্রেফিক্স
আপনার সাইটের নিরাপত্তা বাড়ার
জন্য এটা পরিবর্তন করে
দিতে পারেন। যেমনঃ blog_, site_, my_ ইত্যাদি।
সকল
তথ্য দেয়া হয়ে গেলে
সাবমিট বাটনে ক্লিক করুণ।
সকল তথ্য সঠিক ভাবে
দেয়া হলে নিচের ছবির
মত আসবে। যদি নিচের
ছবির মত না আসে
তাহলে আবার সঠিক তথ্য
দিয়ে চেষ্টা করুণ।

এখন
Run the install বাটনে ক্লিক করুণ। দেখুন
নিচের ছবির মত আরও
একটি ফরম এসে উপস্থিত।
এখন সেই ফরম টি
পূরণ করলেই একটি পুরনাঙ্গ
ওয়ার্ডপ্রেস সাইট প্রস্তুত ব্যবহার
করার জন্য।

1. আপনার
সাইটের নাম দিন।
2. আপনার
সাইটের প্রশাসক (এডমিন) এর লগইন
নাম দিন।
3. প্রশাসক
এর পাসোয়ার্ড দিন। এবং পাসোয়ার্ড
যাতে খুব শক্ত হয়
সেই দিকে খেয়াল রাখতে
হবে।
4. প্রশাসক
এর ইমেইল দিন, যে
ইমেইল ঠিকানাটি সাইটের মূল নিয়ন্ত্রক
হিসেবে রাখতে চান।
5. এখানে
যদি টিক দিয়ে রাখেন
তাহলে আপনার সাইট গুগল,
ইয়াহু, বিং সহ আরও
বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে আপনার
সাইটকে খুঁজে পাওয়া যাবে।
টিক উঠিয়ে দিলে কোন
সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটকে খুঁজে
পাওয়া সম্ভব হবে না।
নোটঃ
এখানে দেয়া সকল তথ্য
ড্যাশবোর্ড থেকে পরিবর্তন করতে
পারবেন।
ব্যাস
হয়েই গেলো আপনার একটি
ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইট। এখন
আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড এ লগিন করে
ইচ্ছে মত পরিবর্তন, থিমস
ইন্সটল, প্লাগিন ইন্সটল, নতুন পোস্ট, নতুন
পাতা সহ যেকোনো কিছু
যুক্ত করতে পারবেন।
ড্যাশবোর্ড
লগইন ইউআরএলঃ http://আপনার-ডোমেইন.কম/dashboard
কিছু
প্রয়োজনীয় ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন ও লিংকঃ
আরো
জানতে গুগল মামার সাহায্য
নিতে পারেন
ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল এ কারো
কনো সমস্যা হলে জানাবেন।
http://www.techtunes.com.bd/review/tune-id/103151

