নীলফামারী জেলার

ভৌগোলিক সীমানা

নীলফামারী জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে দিনাজপুর ও রংপুর জেলা, পূর্বে লালমনিরহাট এবং পশ্চিমে দিনাজপুর ও রংপুর জেলা অবস্থিত।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি

 নীলফামারী-০১  নীলফামারী-০২  নীলফামারী-০৩  নীলফামারী-০৪
জনাব মোঃ আফতাব উদ্দিন সরকার, মাননীয় সংসদ সদস্য, ডিমলা, নীলফামারী জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান নূর, মাননীয় সংসদ সদস্য, মাননীয় মন্ত্রী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শহীদ আলী হোসেন সড়ক, নীলফামারী জনাব গোলাম মোস্তফা, মাননীয় সংসদ সদস্য, জলঢাকা কলেজ পাড়া, জলঢাকা, নীলফামারী আলহাজ্ব শওকত চৌধুরী, মাননীয় সংসদ সদস্য, ২৪,যমুনা লেন, বাঙ্গালীপুর নিজপাড়া, সৈয়দপুর, নীলফামারী

স্থানীয় সরকার

পৌরসভা

এই জেলায় মোট ৪ টি পৌরসভা

উপজেলা পরিষদ

মোট ৬ টি উপজেলা নিয়ে নীলফামারী জেলা।
  1. নিলফামারী সদর উপজেলা
  2. ডোমার উপজেলা
  3. ডিমলা উপজেলা
  4. জলঢাকা উপজেলা
  5. কিশোরগঞ্জ উপজেলা ও
  6. সৈয়দপুর উপজেলা

ইউনিয়ন পরিষদ

ইতিহাস

১৮৭৫ সালে মহকুমা ও পরে ১৯৮৪ সালে জেলায় উন্নীত হয়।

নামকরনের ইতিহাস

দুই শতাধিক বছর পূর্বে এ অঞ্চলে নীল চাষের খামার স্থাপন করে ইংরেজ নীলকরেরা। এ অঞ্চলের উর্বর ভূমি নীল চাষের অনুকূল হওয়ায় দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় নীলফামারীতে বেশি সংখ্যায় নীলকুঠি ও নীল খামার গড়ে ওঠে। ঊণবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই দুরাকুটি, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ, টেঙ্গনমারী প্রভৃতি স্থানে নীলকুঠি স্থাপিত হয়।
সে সময় বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের মধ্যে নীলফামারীতেই বেশি পরিমাণে শস্য উৎপাদিত হতো এখানকার উর্বর মাটির গুণে। সে কারণেই নীলকরদের ব্যাপক আগমন ঘটে এতদঅঞ্চলে। গড়ে ওঠে অসংখ্য নীল খামার। বর্তমান নীলফামারী শহরের তিন কিলোমিটার উত্তরে পুরাতন রেল স্টেশনের কাছেই ছিল একটি বড় নীলকুঠি। তাছাড়া বর্তমানে অফিসার্স ক্লাব হিসেবে ব্যবহৃত পুরাতন বাড়িটি ছিল একটি নীলকুঠি।ধারণা করা হয়, স্থানীয় কৃষকদের মুখে ‘নীল খামার’ রূপান্তরিত হয় ‘নীল খামারী’তে। আর এই নীলখামারীর অপভ্রংশ হিসেবে উদ্ভব হয় নীলফামারী নামের।
  • মুক্তযুদ্ধকালীন পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিহারীদের অংশগ্রহণে ১৯৭১ সালের ১৩ জুন সংঘটিত একটি হত্যাযজ্ঞের অভিযানের আলোচিত নাম অপারেশন খরচাখাতা

অর্থনীতি

  • অর্থনৈতিক শহরঃ
  1. নীলফামারী
  2. সৈয়দপুর
  3. ডোমার
  4. ডিমলা
  5. জলঢাকা
  6. কিশোরগঞ্জ
  7. চিলাহাটি

উল্লেখযোগ্য স্থাপনা

চীনা মসজিদ, তিস্তা বারেজ, সৈয়দপুর চার্চ, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল, উত্তরা ইপিজেড, সৈয়দপুর বিমান বন্দর

চিত্তাকর্ষক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান

নীলসাগর, ধর্মপালের গড়, চীনা মসজিদ, তিস্তা বারেজ, কুন্দুপুকুর মাজার, হযরত শাহ কলন্দর মাজার, হরিশচন্দ্রের পাঠ, ময়নামতির দূর্গ, ভীমের মায়ের চুলা ইত্যাদি।

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

শাহ কলন্দর ইসলামী ব্যক্তিত্ব, কাজী কাদের, সাবেক মন্ত্রী (পাকিস্তান আমল); মশিউর রহমান (যাদু মিয়া) সাবেক মন্ত্রী; শহীদ জননী জাহানারা ইমাম; খয়রাত হোসেন, সাবেক মন্ত্রী; বিচারপতি মোস্তফা কামাল, সাবেক প্রধান বিচারপতি; শফিকুল গনি (স্বপন) সাবেক মন্ত্রী; মহেশ চন্দ্র রায়, হরলাল রায় ভাওয়াইয়া শিল্পী; দেওয়ান কামাল আহমেদ; রথীন্দ্রনাথ রায় ভাওয়াইয়া শিল্পী ও আসাদুজ্জামান নূর নাট্য ব্যক্তিত্ব, আনিসুল হক ,বেবী নাজনীন (জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী)
^উপরে যেতে ক্লিক করুন